শেখ হাসিনাকে নিয়ে ভারতের অবস্থান কি ?

সংসদে উত্তর দিলেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী

Sanchoy Biswas
আসাম( ভারত) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ | আপডেট: ৯:৩০ অপরাহ্ন, ০২ মে ২০২৬
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবিঃ সংগৃহীত
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কি ঢাকার হাতে তুলে দেবে নয়াদিল্লি ? ইতিমধ্যে হাসিনার প্রত্যর্পণ দাবি করেছে বাংলাদেশ। ভারতকে সে বিষয়ে চিঠি ও দেওয়া হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এই সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে ভারত সরকারের অবস্থান জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিং। 

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ পুনরায় শুরু হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে: ইরান

তিনি জানিয়েছেন, এখনও বাংলাদেশকে এ বিষয়ে কোনো জবাব দেওয়া হয়নি। রাজ‍্যসভায় কেরলের সিপিএম সাংসদ জন ব্রিট্টাস হাসিনা সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। তিনি মোট ৩টি প্রশ্নের উত্তর জানতে চেয়েছিলেন 

১. বাংলাদেশ কি তাদের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়েছে ?

আরও পড়ুন: বাংলাদেশিদের জন্য পূর্ণাঙ্গ ভিসা সেবা পুনরায় চালুর পথে ভারত

২. যদি তাই হয়, তবে প্রত‍্যর্পণের জন্য কি কি কারণ দেখিয়েছে ঢাকা ? 

৩. ভারত সরকার এ সম্পর্কে কী জবাব দিয়েছে ঢাকাকে

কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী এই প্রশ্নের জবাবে বলেন, “বাংলাদেশ হাসিনার প্রত্যর্পণ দাবি করেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট হাসিনা ভারতে আসার আগে বাংলাদেশে যে যে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে, তার ভিত্তিতে এই প্রত্যর্পণ দাবি করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকারের কাছে এ বিষয়ে কোনো জবাব এখনও পাঠানো হয়নি।” 

হাসিনাকে ফেরত চেয়ে গত ডিসেম্বরে নয়াদিল্লিকে কুটনৈতিক চিঠি পাঠিয়েছিল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। একাধিক অপরাধে হাসিনা অভিযুক্ত বলে দাবি করেছিল তারা। ওই চিঠির প্রাপ্তি স্বীকার করেছিল ভারত সরকার। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন, হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়ে বাংলাদেশের একটি চিঠি তারা পেয়েছেন। কিন্তু এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য এখনই করা যাবে না। 

বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে প্রকাশ, আগে ওই চিঠির বৈধতা যাচাই করতে চায় নয়াদিল্লি। কোনো দেশের অন্তর্বর্তী সরকার অন্য রাষ্ট্রের নির্বাচিত সরকারের কাছে কোনো রাজনৈতিক নেতার প্রত্যর্পণ চাইলে, আইনি দিকগুলি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সেই প্রক্রিয়ায় সময় লাগতে পারে। কিন্তু এ বিষয়ে সরকারিভাবে কোনো মন্তব্য করতে চায়নি বিদেশ মন্ত্রক।  হাসিনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের আবার অবনতি হতে পারে বলে অনেকে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।