খামেনির মৃত্যুর পর ইরানে তিন সদস্যের অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটিতে তিন সদস্যের একটি ‘অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ’ গঠন করা হয়েছে। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে প্রধান করে এ পরিষদ গঠনের তথ্য জানিয়েছে দেশটির সরকারি বার্তাসংস্থা ইরনা। বার্তা সংস্থ এএফপি ইরনার বরাতে এ খবর প্রকাশ করেছে।
অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদের অন্য দুই সদস্য হলেন ইরানের বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মোহসেনি-এজেই এবং প্রভাবশালী সংস্থা গার্ডিয়ান কাউন্সিল এর একজন জ্যেষ্ঠ আলেম।
আরও পড়ুন: খামেনিকে হত্যা, ইতিহাসের সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক হামলার ঘোষণা ইরানের
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু খামেনির নিহত হওয়ার ঘোষণা দেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও একই তথ্য নিশ্চিত করেন। রোববার বাংলাদেশ সময় সকালে ইরান সরকারিভাবে খামেনির মৃত্যুর কথা স্বীকার করে।
৮৬ বছর বয়সী খামেনি দীর্ঘদিন ধরে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দেশটির শিয়াপন্থি ইসলামি প্রজাতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সামরিক, বিচার ও গোয়েন্দা বিভাগসহ রাষ্ট্রের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে তার প্রভাব ছিল গভীর। কার্যত তার নির্দেশনাতেই রাষ্ট্র পরিচালিত হতো।
আরও পড়ুন: ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা কে হচ্ছেন?
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর প্রণীত ইরানের সংবিধানে ‘অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ’-এর বিধান রয়েছে। সংবিধানের ১১১ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা মৃত্যুবরণ করলে বা দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত একটি অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ রাষ্ট্রের সার্বিক দায়িত্ব পালন করবে।





