সুরক্ষিত ভবনে যেভাবে নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, ০১ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, ০১ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দেশটির একাধিক সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করার কথা জানিয়েছে। রোববার (১ মার্চ) ইরানের আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম ও ফার্স নিউজ বিষয়টি প্রকাশ করে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, হামলায় খামেনি নিহত হয়েছেন। ওই হামলার পর থেকেই তার মৃত্যুর খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আলোচনায় আসে।

আরও পড়ুন: খামেনির মৃত্যুর পর ইরানে তিন সদস্যের অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ

বার্তা সংস্থা রয়টার্স দুটি মার্কিন সূত্র ও ঘটনার বিষয়ে অবগত একটি সূত্রের বরাতে জানায়, শনিবার ভোরে ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে হামলা চালায়। হামলার সময় খামেনি শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে একটি সুরক্ষিত স্থানে বৈঠক করছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, হামলায় খামেনি ছাড়াও তার কয়েকজন শীর্ষ সহযোগী নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি এবং ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর রয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইরানের ক্ষমতার পালাবদল এখন কতদূর

ইরানি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, হামলার ঠিক আগে খামেনি আলী শামখানি ও জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানির সঙ্গে একটি সুরক্ষিত স্থানে বৈঠক করছিলেন।

এদিকে শনিবার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা খামেনির বাসভবনের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে। ওই ছবিতে দেখা যায়, প্রাসাদটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আংশিক ধসে পড়েছে। ভবনের চারপাশে বিস্ফোরণের চিহ্ন ও কালো দাগ স্পষ্টভাবে দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এখন পর্যন্ত ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক পূর্ণাঙ্গ বিবৃতি পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক নজরদারি চলছে।