সৌদিতে ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন নজরদারি উড়োজাহাজ

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, ২৯ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, ২৯ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি-তে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক নজরদারি উড়োজাহাজ ‘ই-৩ সেন্ট্রি’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই উড়োজাহাজটি আকাশপথে আগাম সতর্কতা ও যুদ্ধক্ষেত্র নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

‘এয়ারবর্ন ওয়ার্নিং অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম’ (আওয়াকস) হিসেবে ব্যবহৃত এই উড়োজাহাজ শত শত মাইল দূর থেকে ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমান শনাক্ত করতে সক্ষম। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধাক্কা।

আরও পড়ুন: জাতিসংঘের কালো তালিকায় ইসরায়েল

শুক্রবারের ওই হামলায় অন্তত ১২ মার্কিন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে আল জাজিরা জানিয়েছে, আহতের সংখ্যা ১৫ জন পর্যন্ত হতে পারে, যাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।

এ হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত দুটি ‘কেসি-১৩৫’ রিফুয়েলিং উড়োজাহাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব উড়োজাহাজ মাঝ আকাশে যুদ্ধবিমান ও নজরদারি বিমানে জ্বালানি সরবরাহে ব্যবহৃত হয়।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর খসড়া চুক্তি, কমেছে বিশ্ববাজারে তেলের দাম

বিশ্লেষকদের মতে, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সম্মিলিত এই হামলা যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় ধরনের দুর্বলতা প্রকাশ করেছে। এর আগেও একই ঘাঁটিতে হামলায় একাধিক রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে।

এদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড নিশ্চিত করেছে, সম্প্রতি ইরাকের আকাশসীমায় একটি কেসি-১৩৫ উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ছয়জন ক্রু নিহত হয়েছেন। যদিও তারা বলেছে, এটি শত্রুপক্ষের গুলিতে হয়নি; তবে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী ওই উড়োজাহাজ ভূপাতিত করার দাবি করেছে।

অন্যদিকে, ন্যাটো জানায়, তাদের পরিচালিত ‘ই-৩এ’ আওয়াকস উড়োজাহাজগুলো আকাশপথে নজরদারি, কমান্ড ও কন্ট্রোল এবং যুদ্ধক্ষেত্র ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। উন্নত রাডার ও সেন্সর প্রযুক্তির মাধ্যমে এসব উড়োজাহাজ দূর থেকে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করে তাৎক্ষণিক তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।