ইরান: ট্রাম্পের সামনে এখন তিনটি পথ খোলা

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:৫৯ অপরাহ্ন, ১২ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ১:৫৯ অপরাহ্ন, ১২ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ-এ টানা ২১ ঘণ্টা ধরে চলা আলোচনায় কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ফলে কোনো সমঝোতা ছাড়াই আলোচনাস্থল ত্যাগ করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। এখন ওয়াশিংটনের সামনে তিনটি সম্ভাব্য পথ রয়েছে—ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘ কূটনৈতিক আলোচনা, সামরিক সংঘাতের পথে যাওয়া, অথবা কৌশলগত হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন উত্তেজনায় জড়ানো।

আরও পড়ুন: নেপাল-তিব্বত সীমান্তে নতুন করে উপচে পড়ল হ্রদ, প্রাণে বাঁচতে ফের ছুটছে মানুষ

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিজেই ঘোষণা করবেন। জেডি ভ্যান্স বলেন, “আমরা আমাদের সীমারেখা স্পষ্ট করেছি, কিন্তু ইরান আমাদের শর্ত মানতে রাজি হয়নি।”

মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ দাবি করেন, ইরানের উচিত ‘আত্মসমর্পণমূলক অবস্থান’ গ্রহণ করা। তবে অতীতের কূটনৈতিক ইতিহাস বলছে, দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমেই পূর্বের বড় চুক্তি হয়েছিল।

আরও পড়ুন: নেপালে মানবিক বিপর্যয়: বন্যায় ভেসে গেছে মরদেহ, মর্গেও জায়গা নেই

বিশ্লেষকদের মতে, মূল বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ। ইরান এটিকে তার বৈধ অধিকার বললেও যুক্তরাষ্ট্র এটিকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাব্য পথ হিসেবে দেখছে।

ইরান জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সংঘাত তাদের অবস্থানকে আরও কঠোর করেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, “জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় আমাদের অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে।”

অন্যদিকে হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন উত্তেজনার শঙ্কাও দেখা দিয়েছে, কারণ বিশ্বের বড় অংশের জ্বালানি তেল এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়।