কেনিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, ইকুয়েডরের গোয়েন্দাপ্রধান ও স্ত্রীসহ নিহত ৭
কেনিয়ায় সাফারি ভ্রমণের সময় পর্যটকবাহী একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ইকুয়েডরের গোয়েন্দাপ্রধান মিশেল সেনসি-কন্তুজি ও তার স্ত্রী স্টেফানি হলিহানসহ সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচজনই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।
বুধবার স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৯টার দিকে সামবুরু কাউন্টিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: ‘এক ঘণ্টারও কম সময়ে ইসরায়েলকে ধ্বংস করতে পারে ইরান’
কেনিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (কেসিএএ) জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় হেলিকপ্টারে থাকা পর্যটকেরা একটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ এলাকায় ঘুরছিলেন। সেখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের সময় হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।
দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। ছবিতে মাউন্ট ওলোলোকওয়ের বনাঞ্চলে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার স্থান থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। এ সময় কেনিয়া রেড ক্রসের সদস্যরা আগুনে জ্বলতে থাকা ধ্বংসাবশেষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলেন।
আরও পড়ুন: ‘আজই ইরানে হামলা হতে পারে’, আবার চুক্তিরও সম্ভাবনা: ট্রাম্প
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ইকুয়েডরের স্ট্র্যাটেজিক ইন্টেলিজেন্স সেন্টারের মহাপরিচালক মিশেল সেনসি-কন্তুজি (৪৪) এবং তার স্ত্রী স্টেফানি হলিহান। ২০২৪ সালে সেনসি-কন্তুজিকে দেশটির স্ট্র্যাটেজিক ইন্টেলিজেন্স সেন্টারের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
গোয়েন্দাপ্রধানের মৃত্যুর বিষয়ে ইকুয়েডর সরকার বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি। তবে দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।
দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ মার্কিন নাগরিকের পরিচয়ও এখনো পুরোপুরি প্রকাশ করা হয়নি। তাদের মধ্যে একজন এনবিসিইউনিভার্সালের সাংবাদিক হোসে আলবের্তো সুয়ারেজ। বাকি চারজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র দুর্ঘটনায় পাঁচ মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হেলিকপ্টারটি কী কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।





