ভোটকেন্দ্র স্থানান্তরের প্রতিবাদে সোনাগাজীতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ

Sanchoy Biswas
ইলিয়াছ সুমন
প্রকাশিত: ১০:৪৫ অপরাহ্ন, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৫:৫৪ অপরাহ্ন, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্র স্থানান্তরের প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন স্থানীয় ভোটার ও এলাকাবাসী। এ সময় তারা পুরোনো ভোটকেন্দ্র বহাল রাখার দাবি জানান।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে ভোরবাজার এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। ভোটারদের জন্য সুবিধাজনক ভোরবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বর্তমান ভোটকেন্দ্রটি দূরে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্থানীয়রা এ কর্মসূচির আয়োজন করেন।

আরও পড়ুন: কুলাউড়ায় অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের দেয়াল পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন

মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন কৃষকদল নেতা মনির আহমদ। ছাত্রদল নেতা মোশারফ হোসেন বাবুর সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য দেন মোহাম্মদ আলী, মোহাম্মদ শুভ, সুজন, জামশেদ আলমসহ স্থানীয় বাসিন্দারা।

বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ভোরবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভোটকেন্দ্র থাকায় স্থানীয় ভোটাররা সহজেই সেখানে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে আসছেন। হঠাৎ করে পুরোনো ও সুবিধাজনক ভোটকেন্দ্র পরিবর্তন করে দূরবর্তী স্থানে নেওয়ার সিদ্ধান্তে ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় দুই পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বিক্ষোভ

তাদের দাবি, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় তিন হাজার ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ ভোটার বর্তমান ভোটকেন্দ্র বহাল রাখার পক্ষে রয়েছেন। ভোটারদের সুবিধা ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়টি বিবেচনা করে আগের কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।

বক্তারা আরও বলেন, কোনো কারণে বর্তমান কেন্দ্র বহাল রাখা সম্ভব না হলে ভোটারদের যাতায়াতের সুবিধা বিবেচনায় দক্ষিণ সুলতানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোটকেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানান। দাবি বাস্তবায়ন না হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি নবাবপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার ও সাধারণ জনগণ অংশ নেন।

এ বিষয়ে ৯ নম্বর নবাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জহিরুল আলম জহির বলেন, “জাতীয় বা স্থানীয় নির্বাচনের ভোটকেন্দ্র স্থানান্তর কিংবা বহাল রাখার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার। এ বিষয়ে আমার বলার কিছু নেই।”