সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হলো ১২ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসী

Shahrier Islam Pallab
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:১৩ অপরাহ্ন, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১:১৩ অপরাহ্ন, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সৌদি আরবে আইন অমান্য করে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযান শুরু হয়েছে। দেশটিতে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত সুরক্ষা আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে অভিযানে এক সপ্তাহে ১২ হাজার ৬শ জনের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। 

দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত ১৭ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা বিশেষ নিরাপত্তা অভিযানে মোট ১৩ হাজার ৬২৮ জনকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশের ওষুধে শতভাগ শুল্ক ছাড়ের ঘোষণা ট্রাম্পের

অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ৬ হাজার ৫৯৩ জন আবাসিক আইন, ৩ হাজার ৫৩১ জন সীমান্ত নিরাপত্তা এবং ৩ হাজার ৫০৪ জন শ্রম আইন লঙ্ঘন করেছিলেন। 

এছাড়া অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবে ঢোকার সময় ১ হাজার ১৯৯ জনকে আটক করা হয়, যাদের বড় একটি অংশ ইথিওপিয়া ও ইয়েমেনের নাগরিক। পাশাপাশি দেশ ছেড়ে অবৈধভাবে পালানোর সময় আরও ২৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে যা বললেন ভারতীয় হাইকমিশনার

আইন লঙ্ঘনকারীদের কেবল দেশ থেকেই বের করে দেওয়া হচ্ছে না, বরং তাদের ভ্রমণ প্রক্রিয়াও দ্রুত সম্পন্ন করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে ১৮ হাজার বেশি মানুষকে নিজ নিজ কূটনৈতিক মিশনে পাঠানো হয়েছে ট্রাভেল পাস বা নথিপত্র সংগ্রহের জন্য। এছাড়া অবৈধ অভিবাসীদের যাতায়াত বা লুকিয়ে থাকতে সাহায্য করার অপরাধে ২২ জন স্থানীয় সহযোগীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৩১ হাজারের বেশি প্রবাসী আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি রয়েছেন।

অবৈধ অভিবাসন রোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সৌদি প্রশাসন। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাফ জানিয়ে দিয়েছে, যারা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের সহায়তা করবে, গাড়ি বা বাড়ি দিয়ে আশ্রয় দেবে, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ বছরের জেল এবং ১০ লাখ রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। এমনকি অপরাধে ব্যবহৃত গাড়ি ও সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা হবে। সাধারণ মানুষকে এ ধরনের ঘটনা দেখলেই দ্রুত পুলিশকে খবর দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সূত্র: গালফ নিউজ