ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত হচ্ছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা। এরপরই বাঙালি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে ৫২’র ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নামবে লাখো মানুষের ঢল। আর তাদের বরণ করে নিতেই সে লক্ষ্যে বর্তমানে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি।
দেখা গেছে, বেদি ছাড়াও আশপাশের সড়ক আলপনায় রাঙাতে ব্যস্ত শিক্ষার্থীরা। তারা রং-তুলির আঁচড়ে একুশের আবহ ফুটিয়ে তুলছেন। তাদের বিশ্বাস, রং তুলির আঁচড়ে রচিত এ ইতিহাস পৌঁছে যাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে।
আরও পড়ুন: দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সিদ্ধান্ত ভারতের: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ
এদিকে নিরাপদ হবে অমর একুশের প্রথম প্রহর, নিরাপদ হবে একুশের প্রথম প্রহরে নগ্ন পায়ে শহীদ মিনার যাত্রা। জনগণের এমন প্রত্যাশাকে মাথায় রেখে ট্রাফিক ব্যবস্থায় আনা হয়েছে পরিবর্তন। একমাত্র পলাশী ক্রসিং দিয়েই প্রবেশ করা যাবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। ফুল দেয়া শেষে দোয়েল চত্বর হয়ে টিএসসি, চানখারপুল এবং হাইকোর্টের দিক দিয়ে করতে হবে প্রস্থান।
এদিকে সার্বিক নিরাপত্তায় ডিএমপির পক্ষ থেকে সাজানো হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বিপুল পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে শহীদ মিনারের এক কিলোমিটার এলাকায় থাকবে মোবাইল টিমও।
আরও পড়ুন: রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এবারের আয়োজনে আছে কিছুটা ভিন্নতা। প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মিনার বেদি উন্মুক্ত করে দেয়া হবে সর্বসাধারণের জন্য।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রচেষ্টা সন্তোষজনক জানিয়ে আয়োজকদের দাবি, বিশৃঙ্খলার কোনো আশঙ্কা নেই।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তিন ধাপে ফুল দেওয়া হবে, রাত ১২টা ১ থেকে ১২টা ৪০ পর্যন্ত ভিভিআইপি ও ভিআইপিরা ফুল দেবেন। ভোগান্তি এড়াতে ওই সময় সাধারণ মানুষকে না আসার জন্য অনুরোধ করছি। ১২টা ৪০ মিনিটে জনসাধারণের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পলাশী গেট উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টা পর্যন্ত পুলিশ সদস্যরা এ এলাকায় কড়া নিরাপত্তায় সচেষ্ট থাকবে। দুর্ঘটনা এড়াতে সচেতন থাকব আমরাও। তবে মোবাইল, মানিব্যাগসহ মূল্যবান সামগ্রী নিজ নিজ দায়িত্বে রাখতে হবে। ১ কিলোমিটারের মধ্যে থাকবে মোবাইল টিম।





