জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে আইন-শৃঙ্খলা উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:৩৯ অপরাহ্ন, ২৬ অক্টোবর ২০২৫ | আপডেট: ২:৩৯ অপরাহ্ন, ২৬ অক্টোবর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরাপত্তা প্রস্তুতি ও সন্ত্রাস দমন কার্যক্রম নিয়ে বৈঠকে বসেছে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। রোববার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় রাজধানীর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজমসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন: দিল্লি বিমানবন্দরে জাহেদ উর রহমানের ঘটনা: ভারতের ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক নয়’, বলছে ঢাকা

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সহিংসতা প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—

১. দেশব্যাপী চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সংঘবদ্ধ অপরাধীদের কার্যক্রম রোধে পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন: জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে: শ্রমমন্ত্রী

২. জুলাই হত্যাকাণ্ডের শহীদদের মামলার অগ্রগতি ও তদন্তের পর্যালোচনা।

৩. উসকানিমূলক সাইবার প্রচারণা প্রতিরোধে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ।

৪. নারী ও শিশুনির্যাতন এবং ধর্ষণের বিরুদ্ধে সামাজিক ও আইনগত প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

৫. মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধে কার্যকর অভিযান পরিচালনা।

৬. শীর্ষ সন্ত্রাসীদের জামিন পরবর্তী অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ ও নিষিদ্ধ সংগঠনের অপতৎপরতা দমন।

৭. শিল্পখাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধ নিশ্চিতকরণ।

৮. গারমেন্টস, ওষুধ শিল্পসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা রোধে নজরদারি।

৯. অস্ত্র জমা ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা।

১০. সীমান্ত ও পার্বত্যাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা।

১১. রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ন।

১২. মা ইলিশ সংরক্ষণে চলমান কার্যক্রম পর্যালোচনা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যেকোনো সহিংসতা বা নাশকতা প্রতিরোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে অস্ত্র উদ্ধার অভিযান ও নজরদারি জোরদার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।