নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই আয়োজন করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আবদুর রশীদ। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই শপথের আয়োজন করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সচিব জানান, সংবিধান অনুযায়ী বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি শপথ পাঠ করান। শপথ অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের হলেও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয় বঙ্গভবনেই। বর্তমানে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন মো. সাহাবুদ্দিন।
আরও পড়ুন: রিয়াদে বিমানবন্দর বন্ধ, ঢাকায় আটকা প্রায় ৩ হাজার যাত্রী
তিনি আরও জানান, নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের গেজেট প্রকাশ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। প্রথমে নবনির্বাচিত সদস্যরা শপথ নেবেন, এরপর সংসদ নেতা নির্বাচন ও অন্যান্য সাংবিধানিক প্রক্রিয়া শেষ করে সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে। তার ভাষায়, “সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী তিন থেকে সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যেই শপথ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।”
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন পেয়ে সরকার গঠনের পথে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। ঘোষিত ২৯৭টি আসনের মধ্যে দলটি এককভাবে পেয়েছে ২০৯টি আসন। স্থগিত থাকা দুটি আসনেও বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। দলটির শরিকরা পেয়েছে আরও তিনটি আসন, ফলে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের মোট আসন দাঁড়িয়েছে ২১২।
আরও পড়ুন: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন
অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। তাদের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের শরিকরা পেয়েছে ৯টি আসন। সব মিলিয়ে এ জোটের আসন সংখ্যা ৭৭।
দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন বলে জানানো হয়েছে। প্রায় দুই দশক পর দলটি আবারও রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরছে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান, সম্ভাব্য শপথ অনুষ্ঠানে প্রায় এক হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানোর প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।





