গভর্নরের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার খবরে যা বললেন ড. আহসান এইচ মনসুর

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৪:১০ অপরাহ্ন, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৪:১৬ পূর্বাহ্ন, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ড. আহসান এইচ মনসুর-কে সরিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক-এর নতুন গভর্নর নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন মোস্তাকুর রহমান। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর কাছে উপস্থাপন করেছে। অর্থমন্ত্রী তাতে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়া গেলে প্রস্তাবটি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে পাঠানো হবে এবং পরবর্তীতে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

আরও পড়ুন: পিলখানা হত্যাকাণ্ড ছিল সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার অপপ্রয়াস: প্রধানমন্ত্রী

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সম্ভাব্য নতুন গভর্নর বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক বলেন, “অপেক্ষা করুন। এখনই কিছু বলতে চাইছি না। কিছু হলে জানতে পারবেন।”

আরও পড়ুন: নবনিযুক্ত আইজিপিকে র‍্যাঙ্ক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এদিকে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে আহসান এইচ মনসুরকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। পদত্যাগ করেছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমি পদত্যাগ করিনি, আমাকে রিমুভও করা হয়নি। গণমাধ্যমে দেখেছি, তাই আমি বাসায় চলে যাচ্ছি।”

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর তৎকালীন গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার-এর স্থলাভিষিক্ত হয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আহসান এইচ মনসুরকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয়। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর নতুন গভর্নর নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে, সম্প্রতি গভর্নরকে অপসারণের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। তাকে ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দেওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তিন কর্মকর্তাকে শোকজ ও বদলি করা হয়। এর প্রতিবাদে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) কর্মীরা প্রতিবাদ সভা করেন। সভায় তিন কর্মকর্তার শোকজ নোটিশ ও বদলি প্রত্যাহারসহ বিভিন্ন দাবি না মানা হলে বৃহস্পতিবার থেকে গভর্নরের পদত্যাগের দাবিতে কলম-বিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।