প্রধান তথ্য অফিসারের দায়িত্বে ইয়াকুব আলী

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৭:১২ অপরাহ্ন, ৩০ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ২:২৫ পূর্বাহ্ন, ২৩ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সরকারের তথ্য ব্যবস্থাপনায় ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বিসিএস ১৮ ব্যাচের কর্মকর্তা ইয়াকুব আলী। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে অতিরিক্ত প্রধান তথ্য অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনরত এই কর্মকর্তাকে প্রধান তথ্য অফিসারের রুটিন দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন। প্রধান তথ্য অফিসারের পদে নতুন নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত দেশের তথ্য ব্যবস্থাপনা, সরকারি বার্তা প্রচার এবং জনসংযোগ কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তার ওপরই ন্যস্ত থাকবে।

আরও পড়ুন: দিনে দিনে ইলিশ আরও ছোট হচ্ছে উৎপাদনও কমছে, নেপথ্যে কী

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তিনি প্রযোজ্য সকল প্রশাসনিক ক্ষমতা ভোগ করবেন এবং বিধি অনুযায়ী বেতন-ভাতাদি গ্রহণ করবেন। এতে সরকারের তথ্য প্রচার কার্যক্রমে কোনো ধরনের স্থবিরতা সৃষ্টি হবে না বলেও আশা করা হচ্ছে।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সালমা হাসনায়েন স্বাক্ষরিত এ আদেশ যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জারি করা হয়েছে এবং তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে আদেশটির অনুলিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপলো ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকা

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার উলুখলা গ্রামের কৃতী সন্তান ইয়াকুব আলী বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (তথ্য) ক্যাডারের একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তা। তিনি নানশী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, ঢাকা থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন।

দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন, তথ্য অধিদপ্তর, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রথম সচিব হিসেবে প্রায় পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ তিনি গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।

পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি সাহিত্যচর্চায়ও রয়েছে তার সক্রিয় সম্পৃক্ততা। ছাত্রজীবনে জাতীয় দৈনিকে লেখালেখির মাধ্যমে তার সাহিত্যযাত্রা শুরু হলেও পরে তা নিয়মিত হয়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্মৃতিচারণমূলক লেখার মাধ্যমে তিনি নতুন করে পাঠকমহলে সাড়া জাগান। পাঠকদের আগ্রহে ২০২১ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম গ্রন্থ “মেঘ-রৌদ্রের দিন”।

তিনি বাংলাদেশ ট্রাভেল রাইটার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য। ব্যক্তিজীবনে তার সহধর্মিণী ফারজানা নাসরিন এবং তাদের তিন পুত্র সন্তান রয়েছে।