ড. ইউনূসসহ ২৪ উপদেষ্টার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি, লিগ্যাল নোটিশ

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭:৩৭ অপরাহ্ন, ০৬ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৭:৩৭ অপরাহ্ন, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

প্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলাম সরকারের সংশ্লিষ্ট সচিবদের কাছে নোটিস পাঠিয়ে দাবি করেছেন , হামের টিকাদান ব্যবস্থার বেসরকারিকরণে শিশু ও নাগরিকদের মৃত্যু ও আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করতে এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে।

দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাব: শতাধিক শিশু মৃত্যু, অসংখ্য আক্রান্ত। অভিযোগ: টিকাদান ব্যবস্থা সরকারি পর্যায় থেকে বেসরকারি খাতে সরানো হয়েছে। 

আরও পড়ুন: শিক্ষকদের উৎসব ভাতা বাড়ছে ১০%, ১৭ বছর পর উদ্যোগ

দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে : 

মুহাম্মদ ইউনূস, আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, আদিলুর রহমান খান, নূরজাহান বেগম, এম সাখাওয়াত হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মোস্তফা সরয়ার ফারুকীসহ সকল উপদেষ্টা। 

আরও পড়ুন: জ্বালানি সংকট নিয়ে সরকারের সমালোচনা, ‘বাংলাদেশ তেলের ওপর ভাসছে’: জামায়াত আমির

এছাড়া সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং সকল ব্যক্তিগত সহকারীর বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা দাবি করা হয়েছে। 

পাঁচ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন ও পদক্ষেপ না নিলে আদালতে রিট পিটিশন নেওয়ার আশ্বাস

বিস্তারিত প্রতিবেদনের কলাম ফরম্যাট:

১. পরিস্থিতি ও অভিযোগ:

দেশে সম্প্রতি হামের মারাত্মক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে শতাধিক শিশু মারা গেছে এবং অসংখ্য শিশু ও সাধারণ নাগরিক হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। নোটিসে বলা হয়েছে, টিকাদান ব্যবস্থাকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণেই এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

২. যাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চাওয়া হয়েছে:

মুহাম্মদ ইউনূস,আসিফ নজরুল,সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান,আদিলুর রহমান খান,নূরজাহান বেগম,এম সাখাওয়াত হোসেন,জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী,মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, সহ সকল উপদেষ্টা।

৩. প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি:

ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, “কাউকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার দায়িত্ব মূলত নির্বাহী বিভাগের। আদালত পরে আসে—যখন কোনো আবেদন করা হয় এবং দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদেশ দেয়।”

তিনি আরও বলেন, “নির্বাহী বিভাগকে জানিয়েছি যাতে দায়িতরা দেশ থেকে পালাতে না পারে। সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবও এ কারণে উল্লেখ করা হয়েছে।”

৪. টিকাদান কর্মসূচির ইস্যু:

আগে দেশে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হামের টিকা দেওয়া হতো। কিন্তু এখন সেই কার্যক্রম ইচ্ছাকৃতভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। সরকারিভাবে টিকাদান ব্যবস্থা জোরদার না করে বেসরকারি খাতে নির্ভরতা বাড়ানো হয়েছে, যার ফলে মানুষ প্রাইভেট হাসপাতালে গিয়ে টিকা কিনতে বাধ্য হচ্ছে এবং ব্যবসায়িক লাভ হচ্ছে।

৫. সময়সীমা ও পরবর্তী ধাপ:

নোটিসে পাঁচ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন এবং সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যারিস্টার আশরাফুল বলেন, “যদি পাঁচ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, আমরা আদালতে রিট পিটিশন করব। পরবর্তী ধাপে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সর্বশেষ ধাপ জনগণ।