বাংলাদেশের ওষুধ ১৪০ দেশে রপ্তানি, ডেঙ্গুর জন্য ১ লাখ স্যালাইন অনুদান: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:৩৭ অপরাহ্ন, ০৮ জুন ২০২৬ | আপডেট: ৪:০৯ অপরাহ্ন, ০৮ জুন ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বাংলাদেশের ওষুধ বর্তমানে বিশ্বের ১৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, এই রপ্তানির পরিধি আরও বাড়াতে কাজ করছে সরকার এবং এ লক্ষ্যে বেসরকারি ওষুধ শিল্পকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।

সোমবার (৮ জুন) সকালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) কর্তৃক অনুদান হিসেবে ১ লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: নৈতিক মনোবল বৃদ্ধির মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীকে আরও জনবান্ধব করা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে ১৪০টি দেশে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে। এই সংখ্যা আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছে সরকার। এজন্য সরকার বেসরকারি ওষুধ প্রতিষ্ঠানগুলোকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে।”

তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছরে সরকারগুলো কোনো ভেন্টিলেটর, মেশিন, ভ্যাকসিন কিংবা সিরিঞ্জ পর্যন্ত রেখে যায়নি। বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতায় সরকার হামসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলা করেছে।

আরও পড়ুন: পুলিশ প্রটোকল ও সরকারি দেহরক্ষী ছাড়াই সাভারে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন

হাম পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী জানান, হামের বিরুদ্ধে কার্যকর অ্যান্টিবডি তৈরি হতে আগামী ২০ জুন পর্যন্ত সময় লাগবে।

ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় মজুদে বর্তমানে ১ লাখ স্যালাইন রয়েছে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ে আরও ২০ থেকে ২৫ হাজার স্যালাইন সংরক্ষিত আছে। তবে রোগীর সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে গেলে অতিরিক্ত স্যালাইনের প্রয়োজন হতে পারে।

এদিকে রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দেওয়া শোকজ নোটিশের জবাব জমা দেওয়ার জন্য আরও দুই দিন সময় দেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “সময়সীমা না বাড়ালে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আদালতের আশ্রয় নিতে পারে। তাই তাদের আরও দুই দিন সময় দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার তারা জবাব দেবে। এরপর মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।