লন্ডনে উন্নত চিকিৎসায় নিতে খালেদা জিয়ার যাত্রা আবারও স্থগিত

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ১২:৪৪ অপরাহ্ন, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার তারিখ আবারও পিছিয়েছে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্স দেরিতে পৌঁছানো এবং তার শারীরিক অবস্থার স্থিতিশীল না থাকায় তৃতীয়বারের মতো স্থগিত হয় তার লন্ডন যাত্রা।

খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এবি এম আব্দুস সাত্তার জানিয়েছেন, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় পৌঁছানোর পর যে কোনও দিনই তাকে লন্ডনে নেওয়া হতে পারে। তবে এই মুহূর্তে নতুন তারিখ নির্ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

আরও পড়ুন: সন্ধ্যায় ঢাকায় এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল

বিএনপির চিকিৎসক টিমের একজন সদস্য বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা গত কয়েক দিন ধরে একই রকম থাকলেও ফ্লাই করার মতো পর্যাপ্ত স্থিতিশীল কিনা সেটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের আগমনেও দেরি হওয়ায় সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হচ্ছে।

বিএনপি সূত্র জানায়, কাতারের ব্যবস্থাপনায় নতুন এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ৬ ডিসেম্বর ঢাকায় আসার কথা থাকলেও পরবর্তীতে সময় পরিবর্তন করে ৯ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ১০ ডিসেম্বর লন্ডনের উদ্দেশ্যে অ্যাম্বুলেন্সটি রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ৫ ডিসেম্বর সকালে কাতারের আমিরের বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে লন্ডনে নেওয়ার কথা থাকলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে সেই পরিকল্পনা স্থগিত হয়।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বিমান কখন ছাড়বে তা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার ওপর। চিকিৎসকরা অনুমতি না দিলে ফ্লাই করা সম্ভব নয়।

গত ২৩ নভেম্বর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালের মেডিকেল বোর্ডের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছেন খালেদা জিয়া। ২৭ নভেম্বর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (CCU) নেওয়া হয়। এরপর আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরাও চিকিৎসা টিমে যুক্ত হন।

৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, কিডনি, চোখের জটিল সমস্যা, ডায়াবেটিস ও আর্থ্রাইটিসসহ নানা অসুস্থতায় ভুগছেন। তার উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পরিবার ও দলের পক্ষ থেকে বিদেশে নেওয়ার জোর দাবি জানানো হচ্ছে।