রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বিএনপি’র বহিস্কৃত নেতার চেয়ারম্যান পদে শপথ গ্রহণে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী বিএনপি’র বহিস্কৃত নেতা মোকাররম হোসেন সুজনের চেয়ারম্যান পদে শপথ গ্রহণের উপর অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারী করেছে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল, যুগ্ন জেলা ও দায়রা জর্জ-১। নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী রুহুল আমিন (আওয়ামী পন্থী) নির্বাচনী ট্রাইবুনালে নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ করে মামলা দায়ের করলে আদালত এ আদেশ প্রদান করেন।
এরই প্রেক্ষিতে গত বুধবার (২৬ জুন) শপথ গ্রহণের উপর নিষেধাজ্ঞা জারির আদেশ বাতিল আবেদনের উপর শুনানী হয়েছিল। উভয় পক্ষের আইনজীবি আদালতে বক্তব্য পেশ করেন। শেষে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-১ এর বিচারক আব্দুল মালেক ৩০ জুন (রবিবার) শুনানীর তারিখ ধার্য করেছিলেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) একই আদালতে উভয় পক্ষের আইনজীবি আদালতে তাদের বক্তব্য পেশ করেন। উভয় পক্ষের বক্তব্য শেষে বিকেল ৫টায় ট্রাইব্যুনাল আবারো শুনানীর জন্য ২২ জুলাই তারিখ নির্ধারণ করে।
এদিকে বড় কোন চমক না হলে নব-নির্বাচিত গঙ্গাচড়া উপজেলা চেয়ারম্যান মোকাররম হোসেন সুজনকে ছাড়াই তৃতীয় ও চতুর্থ ধাপে বিজয়ী প্রার্থীদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে আগামী ৩ জুলাই।
নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান মোকাররম হোসেন সুজনের আইনজীবি জোবাইদুল ইসলাম বুলেট জানান, সুজন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর তার পক্ষে সরকারী গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে গত ৪ জুন। আইন অনুযায়ী গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবার এক মাসের মধ্যে নির্বাচিত চেয়ারম্যানের শপথ অনুষ্ঠান করতে হবে। কিন্তু নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী রুহুল আমিন নির্বাচনী ট্রাইবুনালে নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ করে মামলা দায়ের করেন। এতে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে একতরফা ভাবে শপথ গ্রহনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা ন্যায় বিচারের পরিপন্থি।
আরও পড়ুন: নান্দাইলের বাহাদুরপুর হাউজ লোকে-লোকারণ্য, নেতাকর্মীদের মাঝে উচ্ছ্বাস
পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মামলার বাদী আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিনের আইজনীবি পিপি এ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক বলেন, আদালত শপথ গ্রহনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে আগামী ২২ জুলাই শুনানীর দিন ধার্য করেছেন। এ অবস্থায় বিবাদীর আবেদনের উপর শুনানী হয়েছে।
নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান মোকাররম হোসেন সুজন বলেন, প্রত্যাক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হয়ে আমাকে আদালতে আসতে হয়েছে। যে ব্যাক্তি মামলা করেছেন তার থানায় কোন ডায়েরী নাই, হামলা বা অন্য কিছু নাই। তার দায়ের করা মিথ্যা মামলায় আমার শপথ সাময়িক স্থগিত করেছে আদালত। আমি আশা করেছিলাম আদালতে ন্যায় বিচার পাবো কিন্তু পাইনি। আমি আদালতের রায় মেনে নিয়েছি। আমি কাগজ পেলে আমি উচ্চ আদালতে অবশ্যই যাবো। আমি সেখানে অবশ্যই ন্যায় বিচার পাবো।





