নরসিংদীতে কিশোরীকে হত্যার ঘটনায় বিএনপি নেতাসহ গ্রেফতার ৫

Sadek Ali
আশিকুর রহমান, নরসিংদী
প্রকাশিত: ১২:৩৯ অপরাহ্ন, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১২:৪০ অপরাহ্ন, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

নরসিংদীর সদর উপজেলার মাধবদীতে ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে কিশোরীকে বাবার কাছ তুুলে নিয়ে গিয়ে হত্যার ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির নেতাসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মহিষাশুড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান, তার ছেলে ইমরান দেওয়ান, ধর্ষক নূরার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আইয়ুব,  এবায়দুল্লাহ এবং মো. গাফ্ফার মিয়া।

আরও পড়ুন: নান্দাইলের বাহাদুরপুর হাউজ লোকে-লোকারণ্য, নেতাকর্মীদের মাঝে উচ্ছ্বাস

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাতে নিহত কিশোরী আমেনা বেগম (১৫) মা ফাহিমা বেগম বাদী হয়ে মাধবদী থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে রাতেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট পৃথক অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করেন।

উল্লেখ্য, গত ১৫ দিন আগে নূরার নেতৃত্বে ৫/৬ জন বখাটে ওই কিশোরীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। এই ঘটনায় স্থানীয় মেম্বার ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান বিচার করার দায়িত্ব নেন। তবে অভিযোগ উঠেছে, তিনি অপরাধীদের সঙ্গে রফাদফা করে মোটা অংকের অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং কোনো বিচার না করেই ঘটনাটি ধামাচাপা দেন এবং ধর্ষিতার বাবা ও তার পরিবারকে গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন: শরীয়তপুরে ঢাকা পোস্টের প্রতিনিধির ওপর সন্ত্রাসী হামলা

ঘটনার বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। ধর্ষণের ১৫ দিন পর বখাটে চক্রটি ভিকটিম কিশোরীকে তার বাবার সামনে থেকেই ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে তাকে পুনরায় গণধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করে মহিষাশুরা ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দীর একটি সরিষা ক্ষেত্রে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।