শেরপুরে শিক্ষার্থী মায়মুনা হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার মূল আসামী আপন ফুফা
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী মায়মুনা খাতুনের (১৩) হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত মূল আসামী তার আপন ফুফা ছাইদুল ইসলামকে (৩৯) ঘটনার ৬ দিন পর রাজধানী ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে তাকে শেরপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
ছাইদুল ইসলাম হালুয়াঘাট উপজেলার ধুরাইল গ্রামের রইছ উদ্দিনের পুত্র। পুলিশ জানায়, তাকে ঢাকার খিলগাঁও তিলপাপাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ আগস্ট সন্ধ্যা সাতটার দিকে নালিতাবাড়ীর সদর ইউনিয়নের ভালুকাকুড়া গ্রাম থেকে মায়মুনার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত কিশোরী ওই গ্রামের মফিজুল ইসলামের কন্যা।
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা জানান, মায়মুনা খাতুনের আপন ফুফা ছাইদুল ইসলাম নালিতাবাড়ী সদর ইউনিয়নের ভালুকাকুড়া গ্রামে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতো। ভিকটিম আসামীকে ঘরজামাই হিসেবে উপহাস করার ফলে তার মনের ক্ষোভে আসামী শ্বাসরোধ করে মায়মুনাকে হত্যা করে এবং লাশ বাড়ীর পাশে নিচু জমির কচুরীপানার নীচে লুকিয়ে রাখে।
আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার
মায়মুনার বাবা-মা তাকে অনেক খুঁজে না পেয়ে গত শনিবার নালিতাবাড়ী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। ধৃত আসামী ছাইদুল ইসলাম নিজের দোষ স্বীকার করে শেরপুর আদালতে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী দিয়েছেন।
পুলিশের এই দ্রুত অভিযান ও ধৃতের স্বীকারোক্তি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সহায়ক হয়েছে।





