রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদী বাঁচাতে ছয় দফা অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জামায়াতের র্যালি
নদী বাঁচাও, দেশ বাঁচাও, শীতলক্ষ্যা বাঁচাও, আমাদের বাঁচাও—স্লোগানে সকাল সকাল মুখরিত রূপগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর তীর। শীতলক্ষ্যা নদী বাঁচাতে ছয় দফা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লার নেতৃত্বে 'সেভ দ্যা শীতলক্ষ্যা' নামে র্যালি কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সকালে উপজেলার মুড়াপাড়া কলেজ থেকে রান উইথ আনোয়ার হোসেন মোল্লা টু সেভ দ্যা শীতলক্ষ্যা ব্যানারে র্যালিটি শুরু হয়ে শীতলক্ষ্যা নদীর তীর দিয়ে ৩ কিলোমিটার সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাটাব বাজারে গিয়ে শেষ হয়।
আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে সাবেক মেয়র মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে হাসনাত আবদুল্লাহ
নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার হোসেন মোল্লার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত র্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ হাফিজুর রহমান হাফিজ।
র্যালি শেষে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাফিজুর রহমান বলেন, এই শীতলক্ষ্যা হচ্ছে রূপগঞ্জের প্রাণ। শীতলক্ষ্যা কে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জে শিল্প কারখানার প্রসার ঘটেছিল। এই শীতলক্ষ্যার স্বচ্ছ পানি ছিল, নাব্যতা ছিল। এই শীতলক্ষ্যাকে ধ্বংস করা হয়েছে অসৎ, দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ নেতৃত্ব আর সুবিধাবাদী ব্যবসায়ীদের কারণে। আসুন আগামীতে শুধু শীতলক্ষ্যা নয়, গোটা বাংলাদেশকে নতুন করে গড়ার জন্য আমরা শপথ গ্রহণ করি। সৎ নেতৃত্বের সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলি।
আরও পড়ুন: আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার
সমাবেশে র্যালির মূল প্রতিপাদ্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন আনোয়ার হোসেন মোল্লা। তিনি বলেন, শীতলক্ষ্যা নদী শুধু একটি নদী নয়, এটি আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য, অর্থনীতি ও পরিবেশের প্রাণ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে নদীটি আজ দখল-দূষণ নিঃস্ব।
আমি আপনাদের সামনে আজ অঙ্গীকার করছি—আপনারা যদি আমাকে সুযোগ দেন, তাহলে আমি:
- নদী দখলকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি
- নদীর দুই পাড়ে সবুজ বেষ্টনী
- নদীর পানি পরিষ্কার ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ
- আধুনিক ওয়াকওয়ে, লাইটিং, বিনোদন ক্ষেত্র
- পরিবেশবান্ধব নদী পরিবহন ব্যবস্থা
- নদীভিত্তিক নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি
শীতলক্ষ্যার পানি পরিষ্কার রাখতে, দখলমুক্ত রাখতে এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী খাঁন, জেলা আইন সম্পাদক এডভোকেট ইসরাফিল, জেলা শিবির সভাপতি আকরাম হোসেন, রূপগঞ্জ উত্তর ও পশ্চিম আমীর আবদুল মজিদ, মাওলানা ফারুক আহমাদ, দক্ষিণ, উত্তর ও পশ্চিম সেক্রেটারি, আনিসুর রহমান, খাইরুল ইসলাম, মোহাম্মদ হানিফ ভূঁঞা প্রমুখ।





