নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা কঠিন চ্যালেঞ্জ
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা বাংলাদেশের জন্য একটি কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং বিষয়। খাদ্য উৎপাদক, সরবরাহকারী, ভোক্তা—সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ সচেতন না হলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়বে। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে না পারলে একসময় আমাদের সকলকেই ভুক্তভোগী হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ফেনীর জেলা প্রশাসক মনিরা হক।
আজ রোববার ৩০ নভেম্বর দুপুরে ফেনী জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের আয়োজনে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আরও বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, নিরাপদ খাদ্য উপকরণ ও নিরাপদ পানি ব্যবহার, কাঁচা ও রান্না করা খাদ্য পৃথক রাখা, সঠিক তাপমাত্রায় রান্না এবং সঠিক তাপমাত্রায় খাদ্য সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে।
আরও পড়ুন: নবীনগর সাংবাদিকদের সাথে গণঅধিকার পরিষদ প্রার্থীর মতবিনিময়
হোটেল-রেস্তোরাঁ অথবা নিজের বাসায় খাদ্য প্রস্তুত, সংরক্ষণ, খাবার পরিবেশন, খাওয়ার আগে-পরে হাত ধোয়া, খাবার ঢেকে রাখা, ফ্রিজে খাবার রাখার সময় সঠিক নিয়ম মেনে রাখা—এসব বিষয়ে সচেতন হতে হবে। হোটেল-রেস্তোরাঁয় রং ও কেমিক্যাল ব্যবহার থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সর্বোপরি খাবার আগে-পরে হাত ধোয়া, সংবাদপত্র ও খাতা–বইয়ের ডাল ব্যবহার বন্ধ করা, প্লাস্টিকের বোতল বারবার ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে। শাকসবজি ভালোভাবে ধুয়ে রান্না করতে হবে। বাইরের খাবার, তেলে ভাজা ও পোড়া খাবার কম খেতে হবে। বাচ্চাদের স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে উৎপাদিত খাবারে অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বেশিদিন ফ্রিজে খাবার সংরক্ষণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুর আহসান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা মুহাম্মদ শামসুল আরেফিন। এসময় জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মাহবুবা মুনমুন, হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আবছার কবির শাহাজাদা, ফেনীর বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁ, চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ও বেকারি মালিক ও প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: শরীয়তপুরে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়া মাহফিল





