বগুড়ায় পুলিশের সাথে বিএনপি নেতার দুর্ব্যবহার ঘিরে সমালোচনার ঝড়
বগুড়া শহরের ইয়াকুবিয়া মোরে ট্রাফিক পুলিশের সাথে শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপি'র সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক নাজিউর রহমান নাজিরের বিরুদ্ধে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল বিকালে ঘটনাটি ঘটার পরপরই উক্ত ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি (২রা জানুয়ারি) শুক্রবার এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। উক্ত ভিডিওটি শেয়ার এবং কমেন্ট করে অনেকেই ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সেই সাথে উক্ত নেতার বিরুদ্ধে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রাফিক পুলিশের সাথে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অকথ্য ভাষায় গালাগালি এবং দুর্ব্যবহারের ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: মাথায় গুলিবিদ্ধ শিশুটি লাইফ সাপোর্টে, টেকনাফ সীমান্তে কী ঘটছে?
একজন মন্তব্যকারী ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিও'র কমেন্টে লিখেছেন, কেন ভুলভাল মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে বিএনপির বিরুদ্ধে এবং বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করা হচ্ছে। তাকে আইনের আওতায় এনে দ্রুত গ্রেপ্তার করে কঠিন শাস্তির আওতায় আনা হোক।
আরেকজন কমেন্টে লিখেছেন, ভিডিও ফুটেজ দেখে উক্ত অপরাধীকে শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেফতার করা এবং আইনের আওতায় আনা উচিত। এছাড়া কঠোর শাস্তি দেওয়ার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: নাসিরনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে সাবেক ইউপি সদস্য নিহত
কয়েকজন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারী দাবি করেছেন, রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে এমন আচরণ কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। কেউ কেউ আবার লিখেছেন, ট্রাফিক পুলিশ জামাল ভাই একজন ভালো মানুষ, তার সঙ্গে যে খারাপ ব্যবহার হয়েছে, তার উপযুক্ত বিচার হওয়া উচিত। অন্যরা হতাশা প্রকাশ করে বলেছেন, ক্ষমতায় আসার আগেই এধরনের আচরণ আইনি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যায়। আবার কেউ কেউ লিখেছেন, রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে এধরনের আচরণ দলীয় ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করেছে।
এবিষয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উক্ত ঘটনায় শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।





