বরিশালে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে দুই প্রার্থীর লিখিত অভিযোগ

Sanchoy Biswas
বরিশাল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৯:৪৭ অপরাহ্ন, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৯:০৭ পূর্বাহ্ন, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে কয়েকটি নির্বাচনী কেন্দ্রে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণে বাধাগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ করেন বাংলাদেশ সংস্কৃতি জোট মনোনীত প্রার্থী আব্দুল জলিল ও বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল মনোনীত প্রার্থী আবদুস সালাম খোকন।

অভিযোগে প্রকাশ, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তারা বিভিন্ন এলাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শন, হামলা, অস্ত্র প্রদর্শন ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।

আরও পড়ুন: শ্যামনগরে ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে পুলিশের ওপর হামলা, আসামি ছিনতাই

লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টায় বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আন্দারমানি ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত দুইজনকে গুরুতর জখম করা হয়। এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় আমীরের বিভাগীয় সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ আনা হয়েছে।

হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ বরিশাল-৪ আসনের বিভিন্ন এলাকায় বহিরাগতদের অবাধ চলাচল ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করছে। স্থানীয় নৌপথ ও মহাসড়ক ব্যবহার করে সংঘবদ্ধভাবে সহিংসতা ছড়ানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি পদক পেলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার

এছাড়া ১০ ফেব্রুয়ারি চানপুর ইউনিয়নের জামায়াতের আমীরের বাড়ি থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিপুল পরিমাণ লাঠি-সোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে, যা নির্বাচনী পরিবেশে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

এমতাবস্থায়, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ, বহিরাগতদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েনের দাবি জানানো হয়েছে।

অভিযোগপত্রের অনুলিপি বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার, সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রিটার্নিং কর্মকর্তা, ক্যাম্প কমান্ডার ও থানা প্রশাসনের কাছেও পাঠানো হয়েছে।