ভোট কেনার অভিযোগে দেশজুড়ে জামায়াতের ১২ নেতা আটক
জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের আগের দিন বুধবার সৈয়দপুর, কুমিল্লা, শরীয়তপুর, পটুয়াখালী, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ভোট কেনার অভিযোগে জামায়াতে ইসলামীর ১২ নেতাকে আটক করা হয়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়। এছাড়া নোয়াখালীতে হ্যান্ডবিল ও টাকা বিতরণের অভিযোগে এক প্রার্থীর সমর্থকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সিরাজগঞ্জে একজন নেতা জনতার ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যান বলেও জানা গেছে।
আরও পড়ুন: খুলনার আলিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রে বিএনপি নেতার মৃত্যু
নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিনকে ৭৪ লাখ টাকাসহ আটক করা হয়। পরে তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়। শরীয়তপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে সাড়ে ৭ লাখ টাকাসহ এক কর্মী আটক হন।
কুমিল্লার মুরাদনগরে হাবিবুর রহমান হেলালী নামে এক নেতা ভোটারদের মধ্যে ২ লাখ টাকা বিতরণের সময় স্থানীয় জনতার হাতে আটক হন।
আরও পড়ুন: গোপালগঞ্জ সদরে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ, আনসারসহ আহত ৩
সিরাজগঞ্জ-২ আসনের কামারখন্দ উপজেলায় চার নেতাকর্মী ৭১ হাজার টাকাসহ আটক হন। তবে পরে প্রশাসন তাদের ছেড়ে দেয়। জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় খরচের জন্য ওই টাকা বহন করা হচ্ছিল।
ঢাকা-৬ আসনের সূত্রাপুর এলাকায় নায়েবে আমির মো. হাবিবকে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগে আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে দুই দিনের কারাদণ্ড দেন।
পটুয়াখালী-১ আসনের মির্জাগঞ্জে ভোটারদের টাকা বিতরণের সময় কামাল হোসেন নামে এক জামায়াত নেতা আটক হন। নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সোনারগাঁয়ে একই অভিযোগে এক কর্মীকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
এদিকে জামালপুর-৩ আসনে এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে টাকা বিতরণের সময় তিন কর্মী জনতার হাতে আটক হন। পরে তাদের সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে অবৈধভাবে টাকা বিতরণের অভিযোগে আরও তিনজনকে আটক করা হয়েছে। সেখান থেকে ১০ লাখ ৪৯ হাজার টাকা ও একটি নোহা মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে।





