প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের কর্মচারী মো. ইয়াসির আরাফাত একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
গত ৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমে “নাজিরপুর হাসপাতালের রোগীদের খাবারের অর্ধেক যায় ঠিকাদার ও কর্মকর্তার পেটে” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে তিনি এ প্রতিবাদ জানান। তার দাবি, প্রতিবেদনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার নাম উল্লেখ করে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর।
আরও পড়ুন: রায়পুরে উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
প্রতিবাদলিপিতে তিনি উল্লেখ করেন, সংবাদে বলা হয়েছে যে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মশিউর রহমান বলেছেন—“খাবারের বিষয়টি ঠিকাদারের ব্যাপার, আরাফাত জানে।” তবে তার দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এমন কোনো বক্তব্য দেননি এবং তার বক্তব্য বিকৃতভাবে সংবাদে উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রয়োজন হলে সরাসরি সাক্ষাৎকার নিলে প্রকৃত সত্যতা প্রকাশ পাবে বলে তিনি জানান।
এছাড়া প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইসতিয়াক কন্সট্রাকশন-এর কার্যক্রম তিনি পরিচালনা করেন এবং বিলের চেকে স্বাক্ষর করেন। এ অভিযোগও তিনি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদের একজন কর্মচারী হিসেবে সরকারি বিধি-বিধান মেনে তিনি তার দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন এবং কোনো ব্যবসা পরিচালনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নেই।
আরও পড়ুন: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে যুবদল নেতা হত্যার প্রধান আসামি আরমান গ্রেপ্তার
প্রতিবাদলিপিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, তার ভগ্নিপতি মো. রেজাউল করিম মোল্লা একজন ঠিকাদার এবং তিনি নিজ দায়িত্বে তার ব্যবসা পরিচালনা করেন। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে তার ম্যানেজার হিসেবে তার ছোট ভাই রিফাত কাজ করেন। উক্ত প্রতিষ্ঠানের বিল বা চেকে স্বাক্ষর করার কোনো এখতিয়ার তার নেই বলেও তিনি জানান।
সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে যে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে ফোনে পাননি। এ দাবিও তিনি অস্বীকার করে বলেন, সংবাদ প্রকাশের আগে তার কাছ থেকে কোনো বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়নি এবং তাকে ফোনও করা হয়নি।
প্রতিবাদলিপিতে তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট সংবাদদাতা নিজেকে বড় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে বিভিন্ন অনৈতিক সুবিধা দাবি করছিলেন। সম্প্রতি তাকে দাপ্তরিক কাজ ছাড়া অফিসে না আসার জন্য অনুরোধ করলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
মো. ইয়াসির আরাফাত উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।





