রামপাল দুর্ঘটনা: নববধূ মিতুসহ তিনজনের দাফন সম্পন্ন

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:১৮ অপরাহ্ন, ১৩ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৪:৩৬ অপরাহ্ন, ১৩ মার্চ ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

খুলনার কয়রা উপজেলার নাকশা গ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত নববধূ মারজিয়া আক্তার মিতু, তার বোন লামিয়া এবং দাদি রাশিদা বেগমের জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় গ্রামের বাড়ির পাশের মাঠে তাদের জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হয়।

আরও পড়ুন: জাতীয় ছাত্রশক্তি নেতার বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ

স্থানীয়রা জানান, সালামের মা রাশিদা বেগম, মেয়ে নববধূ মিতু এবং ছোট মেয়ে লামিয়ার মরদেহ নাকশা গ্রামে আনার পর সকালেই জানাজা শেষে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কনের নানি আনোয়ারা বেগমের মরদেহ দাফনের জন্য তাদের নিজ গ্রামে পাঠানো হয়েছে।

গ্রামবাসীরা জানান, যেখানে উৎসবের আনন্দ থাকার কথা ছিল, সেখানে এখন শোকের মাতম। কনের বাবা আব্দুস সালাম মোড়ল শোকে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন এবং স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়ছেন। নিহতদের জন্য দোয়া করছেন এলাকাবাসী।

আরও পড়ুন: বউ বরণ নয়, ৯ মরদেহ দাফনের অপেক্ষায় স্বজনেরা

জানা গেছে, বুধবার রাতে নাকশা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সালাম মোড়লের মেয়ে মারজিয়া আক্তার মিতুর সঙ্গে মোংলা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আহাদুর রহমান সাব্বিরের বিয়ে হয়।

বিয়ের পর বর-কনেসহ দুই পরিবারের সদস্যরা মাইক্রোবাসে করে ফিরছিলেন। পথে রামপাল উপজেলার বেলাইবিজ এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসের চালকসহ মোট ১৪ জন নিহত হন।

মাইক্রোবাসে থাকা কয়রার নাকশা গ্রামের চারজন—মারজিয়া আক্তার মিতু, তার বোন লামিয়া, দাদি রাশিদা বেগম ও নানি আনোয়ারা বেগম নিহত হন। অন্যদিকে বরের পরিবারের নয়জনের মরদেহ মোংলায় নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের দাফনের প্রস্তুতি চলছে।