বাউফলে আদালতের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ

Sanchoy Biswas
বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৭:৩৫ অপরাহ্ন, ২৩ মার্চ ২০২৬ | আপডেট: ৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, ১৪ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পটুয়াখালীর বাউফলে আদালতের আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে একটি টিনসেট ঘর সংস্কারের নামে পাকা ভবন তৈরির অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ মতলেব গাজী ও তার ছেলে হাইকোট সহকারী প্রোগ্রামার হাসার গাজীর বিরুদ্ধে। তারা মদনপুরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের গাজী বাড়ীর বাসিন্দা।

এ ঘটনায় গত শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বাউফল থানা পুলিশ শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ভবন নির্মাণের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিলেও তা অগ্রাহ্য করে নির্মাণ কাজ চালিয়ে যান প্রতিপক্ষ মতলেব গাজী ও তার ছেলে হাইকোট সহকারী প্রোগ্রামার হাসার গাজী।

আরও পড়ুন: হরিদাসের অর্থের উৎস ও দাতাদের পরিচয় জানতে চায় পুলিশ

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বাসিন্দা একই বাড়ীর মতলেব গাজী ও ছোকানু বেগম ও রাবেয়া বেগম গং-এর সঙ্গে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

এ ঘটনায় রাবেয়া বেগম গং বাদী হয়ে মতলেব গাজী গংদের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত বিরোধপূর্ণ জমিতে উভয় পক্ষের কাজের ওপর স্থিতি-অবস্থা জারি করেন।

আরও পড়ুন: একতা এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, থমকে উত্তরবঙ্গের রেলপথ

এরপর গত ১৭ মার্চ ওই মামলার বিবাদী মতলেব গাজী পুরনো টিনের ঘর বসবাসের অনুপযোগী হওয়ায় ঘরটি সংস্কারের জন্য আদালতে আবেদন করলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে টিনের ঘরটি সংস্কারের জন্য আদেশ দেন। আদালতের ওই আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিবাদী মতলেব গাজী ও তার ছেলে পাকা ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করেন।

আদালত বন্ধ থাকায় বাদী পক্ষ পটুয়াখালী পুলিশ সুপারের কাছে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একটি লিখিত আবেদন করেন। আবেদনের ভিত্তিতে বাউফল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যান। এ সময় পুলিশের সঙ্গে মতলেব গাজীর লোকজনের মধ্যে বিকবিতান্ডা হয়। এক পর্যায় পুলিশ কোনো ধরনের আদেশ না দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।

এ ব্যাপারে বাউফল থানার এসআই মনিরুজ্জামান বলেন, “আমরা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে মতলেব গাজীকে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার জন্য বলা হয়েছে। বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষকে থানায় আসার জন্য বলা হলেও বাদী পক্ষের লোকজন হাজির হয়েছেন, কিন্তু বিবাদী পক্ষের মতলেব গাজী ও তার ছেলে উপস্থিত হননি।”