বিচারের দাবি নির্যাতিতদের

ভয়ংকর ডিবি আমীর এখনো গাজীপুরে ডিবির এসি

Sadek Ali
গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২:৫৭ অপরাহ্ন, ০১ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৪:৫৭ অপরাহ্ন, ০১ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

গাজীপুরের ভয়ংকর খুনি ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে নিষ্ঠুর নির্যাতনের মাস্টারমাইন্ড ওসি আমীর এখন গাজীপুর মেট্রো পলিটন পুলিশের এসি ডিবি হিসাবে কর্মরত থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে নির্যাতিতরা। নিহত ও আহতদের পরিবার আমীরের বিচার দাবি করেছে। যেখানেই আমিরের পোস্টিং হয়েছে নির্যাতনের কাহিনী বেরিয়ে আসছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্যাতনের অনেক কাহিনী উঠে আসছে। আমীর হোসেন,সখিপুর থানায় ২০১৮ সালে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছিলেন।

ভুক্তভোগী একজন লেখেন। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনয়ন প্রস্তাবকারী ছিলাম। ঐ নির্বাচনে ধানের শীষকে ফেল করানোর জন্য ভোট ডাকাতি করে নৌকাকে পাস করানোর জন্য -ধানের শীষের  নেতা কর্মীদের এলাকা ছাড়া করার জন্য এই কুলাঙ্গার আওয়ামী লীগের চামচা ওসি আমীর হোসেন সখিপুর থানার পুরাতন একটা ভাঙা গাড়ি আরেকটা গাড়ির পিছনে বেঁধে নিম্নচাপের বৃষ্টির রাতে সখিপুর থেকে বড়চওনা নিয়ে পুলিশেরা নিজেরাই  গাড়িটি ভেঙে সখিপুরের ১৯৩ জন নিরপরাধ নেতা কর্মীর  নামে মিথ্যা মামলা করে পুলিশ নিজেই বাদী  হয়ে।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় মহাসড়কে একাধিক দুর্ঘটনা, নিহত ৬

মামলার ধারাগুলো দিয়েছিল ভয়াবহ ভংকর। সেই মামলায় কেউ কেউ ১০০ দিন পর্যন্ত জেল হাজত খেটেছে এবং কি এখনো ১২৯ জন হাজিরা দিতেছে। গ্যাসফিল্ড চৌরাস্তায়  নাশকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কটকেল বিস্ফোক উদ্ধার নামক গায়বি মিথ্যা মামলা, জয় বাংলা বাজারে পার্টি অফিসে অগ্নিসংযোগ নাম মিথ্যা মামলা সব মিলিয়ে প্রায় ৬ শ নেতা কর্মীর নামে মিথ্যা মামলার মহানায়ক এই ওসি আমীর হোসেন ।আর এই মামলা থেকে নাম কাটার জন্য আওয়ামী লীগের কাজী বাদলের মত নেতারা  হাতিয়ে নিয়েছে হাজার হাজার টাকা এবং পুলিশেরা হাতিয়ে নিয়েছিল লাখ টাকা টাকা এবং এরা মূলত নিজেরা ফায়দা লুটার জন্য আওয়ামী লীগের অতিমাত্রায় চামচামি  করে আওয়ামী লীগ বনাম বিএনপির রেষারেষি বাড়িয়ে তোলেছে।

কুলাঙ্গার আমীর হোসেন ওসির অত্যাচারে ধানের শীষের নেতারা সারা বছর নিজের ঘরে রাত কাটাতে পারেন নাই - বনে জঙ্গলে, রান্নাঘরে, আত্মীয় বাড়ি কেউ অন্য জেলায় গিয়ে গার্মেন্টসে পর্যন্ত চাকরি করে লুকিয়ে থাকতে হয়েছে এমনি এস আই কনস্টেবলরা বাড়িতে গিয়ে আসামী না পেয়ে আসামির বাবা-মা-বউ আত্মীয় স্বজনকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করেছে, টাকা পয়সা চেয়েছে। ধানের শীষের নেতা কর্মীদের এলাকা ছাড়া করে এই পুলিশের সহায়তায় সারারাত নৌকা মার্কায় সীল দিয়ে বাক্স ভর্তি করে রাখার পর দিনের বেলায় পাবলিক কিছুখন ভোট  দেওয়ার পর ব্যালট শেষ, প্রতি ১০ মিনিট পর পর একটি করে ভোট গ্রহন করে  ভোট গননার পর বদের বাজার কেন্দ্রে মোট ভোটার ও কাস্টিং ভোট সমান হওয়ার পর ব্যালট ফেলে দিতে হয়েছে। রাতের ভোটের বিজয়ের পরের দিন সখিপুর থানার ওসি থানার ভিতরে গরু জবাই করে বাংলাদেশের বড় বড় শিল্পী এনে কনসার্ট করে আনন্দ উল্লাস করেছিল ভোটে বিজয়ী হিসেবে। শোনলাম এখন ওনি গাজীপুর মেট্রোতে আছে এ এস পি  হিসেবে, ওনি গাজীপুরের সাবেক এস পি হারুনুর  রশিদের বিশেষ সহযোগী ছিলেন।

আরও পড়ুন: রায়পুরে মেঘনায় জাটকা ইলিশ শিকার: ১১ জেলে আটক, অর্থদণ্ড

শোনেছি ওনার সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হলো ২১শে  আগস্ট গ্রেনেট হামলার  ১৫ টি চারশিটে তারেক রহমানের নাম না থাকলেও ১৬তম চারশিটে তারেক রহমানকে আসামি করা হয় এই  আমীর হোসেন দারোগা আয়ু  থাকা ২১শে আগস্ট গ্রেনেট হামলা মামলায়।বিনিময়ে ওনি কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন এমনকি তিনি একটি রিসোর্টসের মালিক হয়েছেন ও গাজীপুরের জয়দেবপুরের উত্তর ছায়াবিথীতে অনেক কিছু করে ফেলেছেন।এদের বিচার হওয়া উচিত  কিনা জানি না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমিরের নিষ্ঠুরতা চিত্র ফুটে উঠেছে। গাজীপুরে হারুন ও শামসুন্নাহার এসপি থাকা গাড়ি ক্রসফায়ার সামারি, নির্যাতন করে টাকা আদায়ের মাস্টারমাইন্ড ছিল এই ওসিডিবি আমির।৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর কিছুদিন পালিয়ে থাকলেও পরবর্তীতে কিছু লোককে ম্যানেজ করে আবার চাকরিতে যোগদান করেছে।