তুচ্ছ ঘটনা মীমাংসার পরও যুবককে কুপিয়ে হত্যা
নরসিংদীর পলাশে প্রতিবেশীর গাছ থেকে ডাব পাড়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির মাধ্যমে মীমাংসার পরও মামুন (২০) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১২টায় উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আরও পড়ুন: ওয়ালটন প্লাজার উদ্যোগে লক্ষ্মীপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প
নিহত মামুন ওই গ্রামের মৃত আব্দুল মোমেন মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন বলে জানা যায়।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার একই গ্রামের ইসমাইল মিয়ার ছেলে আজিজুলকে (৩৫) অভিযুক্ত করেছেন।
আরও পড়ুন: এমপি সালাহউদ্দিন আইউবীর উদ্যোগে জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শনে কাপাসিয়ার ৮০ শিক্ষার্থী
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামে দুই দিন আগে গাছের ডাব পাড়ার কথা বলে রাবেয়া নামে এক প্রতিবেশী মামুনকে তার বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। পরে রাবেয়া তাকে দিয়ে তার এবং প্রতিবেশী আজিজুলের গাছ থেকে ডাব পাড়ায়। পরে রাবেয়া ডাবগুলো একসাথে করে সে ও তার প্রতিবেশী আজিজুলের পরিবারকে ভাগ করে দেয়। এ নিয়ে তাদের মধ্যে আজিজুলের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।
পরে আজিজুল ক্ষিপ্ত হয়ে মামুনের বাড়িতে ঢুকে ঘর ও অটোরিকশা ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় ২ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আপোষ মীমাংসা করলেও তা আজিজুলের পক্ষ মেনে নেয়নি। এতে সে আরও বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে শুক্রবার বেলা ১২টায় মামুনকে ডেকে নিয়ে গালিমপুর ইটভাটার পশ্চিম পাশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।
পরে তার ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
পলাশ থানার উপপরিদর্শক রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহত মামুনের মরদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালে রয়েছে। সেখানে ময়নাতদন্ত হবে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। তবে নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।





