যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম ও শিশুসন্তান জামিনে মুক্ত
তেজগাঁও থানায় বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম এবং তার দুগ্ধপোষ্য শিশু কন্যা জামিন পেয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে তিনি কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্ত হন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার।
আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীর পদ্মা নদীতে নৌ পুলিশের ওপর সশস্ত্র হামলা, ওসিসহ ৫ জন গুলিবিদ্ধ
এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
কারাগার থেকে মুক্তির সময় উপস্থিতি
আরও পড়ুন: ৩ মে থেকে ধান-চাল-গম সংগ্রহ শুরু করবে সরকার, লক্ষ্যমাত্রা ১৮ লাখ টন
শিল্পী বেগমের মুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়লে তার সহকর্মী ও রাজনৈতিক অনুসারীরা সকাল থেকেই কারাগার ফটকে জড়ো হন। মুক্তির সময় তারা তাকে স্বাগত জানান।
তেজগাঁও এলাকার শ্রমিক লীগ নেতা আলমগীর হোসেন বলেন, “তিনি আমাদের এলাকার পরিচিত মুখ। রাজনৈতিকভাবে আমরা দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করেছি। আদালত মানবিক বিবেচনায় তাকে জামিন দিয়েছেন। আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।”
শিল্পী বেগমের বক্তব্য
কারা ফটকে বের হওয়ার পর শিল্পী বেগম অভিযোগ করে বলেন, তাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ফাঁসানো হয়েছে। তার দাবি, পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারে অনীহা দেখালেও পরবর্তীতে বিএনপির লোকজনের তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়।
তিনি আরও বলেন, “আমি আওয়ামী লীগ করি, তবে কোনো পদে নেই। আদালত আমাকে মুক্তি দিয়েছেন, এজন্য আমি কৃতজ্ঞ।”
গ্রেপ্তারের পটভূমি
গত সোমবার (২০ এপ্রিল) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোড এলাকার নিজ বাসা থেকে শিল্পী বেগমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরবর্তীতে মঙ্গলবার তিনি তার দেড় মাস বয়সী দুগ্ধপোষ্য কন্যা কাইফা ইসলাম সিমরানকে সঙ্গে নিয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে যান।





