রামিসা হত্যা বিচারের দাবিতে গাজীপুরে মহিলা জামায়াতের মানববন্ধন

Sadek Ali
গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ৭:৫২ অপরাহ্ন, ২৩ মে ২০২৬ | আপডেট: ৯:২২ অপরাহ্ন, ২৩ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

চুপ থাকব না, বিচার চাই, আর একটা রামিসা নয়, শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত চাই, এসব স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে গাজীপুর মহানগরীর রাজবাড়ী রোড এলাকা। রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার এবং সারাদেশে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী গাজীপুর মহানগর মহিলা বিভাগ।

শনিবার (২৩ মে) সকাল ১০টায় গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী অংশ নেন। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

আরও পড়ুন: শ্রীপুরে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, স্বামী আটক

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৭ মে রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা নির্মম ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়, যা মানবতার জন্য কলঙ্কজনক ও গভীর উদ্বেগের বিষয়। বক্তারা বলেন, দেশে শিশুদের ওপর ধর্ষণ, নির্যাতন ও হত্যার মতো নৃশংস ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়ায় অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মহিলা জামায়াতের গাজীপুর মহানগর সেক্রেটারি ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মুহতারিমা আমেনা বেগম, মহানগর সহকারী সেক্রেটারি মুহতারিমা মারুফা শহীদ, সহকারী সেক্রেটারি নাজমুন নাহার লাভলী, কর্মপরিষদ সদস্য ও প্রচার-মিডিয়া বিভাগীয় সম্পাদিকা নাসরিন তাসনিয়া, কর্মপরিষদ সদস্য নাসরিন জাহান গুলশান, খাতেমুন আরা মুক্তা এবং টঙ্গী পশ্চিম থানা দায়িত্বশীলা ও মহানগর শুরা সদস্য ফাহমিদা খাতুন লাকি। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গাজীপুর জেলা মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নাসরিন আকবর।

আরও পড়ুন: খুলনায় র‍্যাবের গাড়ি ভাঙচুর, দুই আসামি ছিনিয়ে নিল জনতা

বক্তারা অবিলম্বে রামিসা হত্যা মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করে সাত কার্যদিবসের মধ্যে রায় কার্যকরের দাবি জানান। পাশাপাশি দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় শিশু সুরক্ষা টহল, সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি জোরদারের আহ্বান জানান।

তারা বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।