কাশিমপুর কারাগার থেকে নারী বন্দী পলায়ন, ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত
গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে এক নারী বন্দী পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই মেট্রন ও পাঁচ মহিলা কারারক্ষীসহ মোট সাত কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
একই সঙ্গে পলাতক বন্দীকে গ্রেপ্তার এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে।
আরও পড়ুন: নোবিপ্রবির জমি পুনরুদ্ধারে আইনগত বাধা নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল
বরখাস্ত হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—মেট্রন লায়লা আনজুমান সুমি, মেট্রন মেরিনা, মেট্রন রেহেনা এবং মহিলা কারারক্ষী শায়লা, শারমিন, জেমি ও আসমা।
সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (এআইজি) মো. জান্নাতুল ফরহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়ায় তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: সহযোগিতা ও সংহতি যত শক্তিশালী হবে, রাষ্ট্র ততই শক্তিশালী হবে: সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক
কারাগার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রায় ৪০ জন নারী বন্দীকে দিয়ে কারাগারের ভেতরে ইট বহনের কাজ করানো হচ্ছিল। এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত মেট্রনের তদারকির ঘাটতির সুযোগ নিয়ে সাজাপ্রাপ্ত বন্দী রিম্পা (২১) অফিস ভবনের পাশের দেয়ালের কার্নিশ বেয়ে সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যান।
পলাতক রিম্পা মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার রায়পুর এলাকার মো. হাসানের মেয়ে। তিনি ঢাকার ধানমন্ডি থানার একটি সিআর মামলায় তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।
ঘটনার পরপরই কারা কর্তৃপক্ষ পুরো কারাগারে তল্লাশি চালিয়েও তার সন্ধান পায়নি। পরে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে তিনি কারাগার থেকে পালিয়ে গেছেন।
এআইজি মো. জান্নাতুল ফরহাদ বলেন, পলাতক বন্দীকে দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে। একই সঙ্গে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও কীভাবে একজন বন্দী পালাতে সক্ষম হলেন, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিভাগীয় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।





