কুলাউড়ায় মেয়র পদে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন বিএনপি সভাপতি বাচ্চু

Sadek Ali
এম শাকিল রশীদ চৌধুরী, কুলাউড়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:১০ অপরাহ্ন, ২৯ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ২:৫১ অপরাহ্ন, ২৯ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক প্যানেল মেয়র মো. জয়নাল আবেদীন বাচ্চু। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি নিজের প্রার্থিতার ঘোষণা দেন এবং নির্বাচিত হলে কুলাউড়াকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও যানজটমুক্ত পৌরসভায় রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দেন।

লিখিত বক্তব্যে জয়নাল আবেদীন বাচ্চু বলেন, ১৯৯৯ সাল থেকে তিনি টানা পাঁচবার কুলাউড়া পৌরসভার কমিশনার/কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া তিনবার প্যানেল মেয়র এবং একাধিকবার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিন জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের কারণে পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডের সমস্যা ও নাগরিকদের চাহিদা সম্পর্কে তিনি সম্যক অবগত বলে উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: ডেন্টাল ডিপ্লোমাধারীদের ন্যায্য দাবির আন্দোলন ঘিরে অপপ্রচার ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ

তিনি জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর পৌর পরিষদ বিলুপ্ত হলে নাগরিক সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্য নিয়ে তিনি মেয়র পদে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেন। ইতোমধ্যে পৌরসভার প্রায় ৪০টি মসজিদে মুসল্লিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন এবং বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের মানুষের বাড়িতে গিয়ে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন।

তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে পৌরসভার রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, কালভার্ট নির্মাণ, যানজট নিরসন এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি কুলাউড়াকে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবেন বলেও অঙ্গীকার করেন।

আরও পড়ুন: কাশিয়ানীতে আওয়ামী লীগের ৩ নেতার পদত্যাগ

মতবিনিময় সভায় তিনি দলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়েও মন্তব্য করেন। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সজলের মেয়র পদে নির্বাচন করার ঘোষণার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি ধারাবাহিকভাবে জাতীয় সংসদ, উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচন করার ঘোষণা দিচ্ছেন। এতে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত তিনি কোন নির্বাচনে অংশ নেবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন জয়নাল আবেদীন বাচ্চু।