রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন: ‘গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না’: মির্জা ফখরুল

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৬:০১ অপরাহ্ন, ২৪ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৬:০১ অপরাহ্ন, ২৪ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগ নিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনের মধ্যে এ বিষয়ে গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স ২০২৬-এর উদ্বোধনী অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আরও পড়ুন: বিদায়ী রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা স্পিকারের

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, “গুজবে বিশ্বাস করি না। পত্রপত্রিকা পড়ে তো আর রাজনীতির কথা বিশ্বাস করা যাবে না। আর এটা তো রাষ্ট্রপতির বিষয়। গুজব দিয়ে কিছু বলা যাবে না।”

তিনি বলেন, বিশ্বজুড়েই গণতন্ত্র নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। তবে বাংলাদেশ সবসময় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতায় বিশ্বাস করে এসেছে।

আরও পড়ুন: নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের প্রতি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সুশাসন সমুন্নত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এদিকে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যেই চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড সফরে থাকা জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নির্ধারিত সময়ের আগেই শুক্রবার দেশে ফিরেছেন। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, তার আগামী ২৬ জুলাই দেশে ফেরার কথা ছিল।

এর আগে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স তিনটি সূত্রের বরাতে এক প্রতিবেদনে জানায়, গণ-অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন শুক্রবার পদত্যাগ করতে পারেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে পাঁচ বছরের মেয়াদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন নাকি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবহিত করেছেন। সূত্রগুলোর দাবি, গত মঙ্গলবার তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা প্রধানমন্ত্রীকে জানান এবং শুক্রবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।

তবে বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় রয়টার্সের সঙ্গে কথা বলা তিনটি সূত্রই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছিল। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। একইভাবে প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্রদের কাছ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সংবিধান অনুযায়ী নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেন।