লক্ষ্মীপুরে হাসপাতালে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে মারধর, গ্রেপ্তার বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা

Shahrier Islam Pallab
নিজস্ব প্রতিবেদক,লক্ষ্মীপুর
প্রকাশিত: ৩:৫৯ অপরাহ্ন, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ | আপডেট: ৫:০৯ অপরাহ্ন, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ঢুকে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জুয়েল হোসেন নিরবকে পেটানোর ঘটনায় বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা আব্দুর রহমান শাহেদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, রাত ৮টার দিকে উত্তর তেমুহনী থেকে শাহেদকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

গ্রেপ্তার শাহেদ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাঞ্চানগর এলাকার ফিরোজ আলমের ছেলে। তিনি দালালবাজার ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও ছাত্রদলের আহ্বায়ক ছিলেন।

আরও পড়ুন: ঢাকায় বিমানের জরুরি অবতরণ, চিকিৎসাধীন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু

ভুক্তভোগী জুয়েল লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহসভাপতি ও সাহাপুর এলাকার মো. শাহজাহানের ছেলে।

জানা গেছে, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জুয়েলকে পেটানোর ঘটনায় সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় শাহেদকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। একইদিন রাতে জুয়েলের বাবা শাহজাহান বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এতে শাহেদসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: পটুয়াখালীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, একটি মোবাইল বেচাকেনা নিয়ে জুয়েল ও শাহেদদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এ ঘটনায় রোববার রাতে সাহাপুর এলাকায় বৈঠক হয়। সেখানে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জুয়েলের ওপর হামলা করে। এসময় তাকে লাঠিসোঁটা নিয়ে পেটানো হয়। সেখান থেকে রাত সাড়ে ১২টার দিকে সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগে চিকিৎসার জন্য গেলে শাহেদের নেতৃত্বে ফের তার ওপর হামলা হয়। এসময় তাকে এলোপাতাড়ি কিল, ঘুসি, লাথিসহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে থাকা কাঠের চেয়ার দিয়ে পিটিয়ে জখম করা হয়।

এসময় অভিযুক্তরা হাসপাতালের আসবাবপত্রও ভাঙচুর করে। পরে জুয়েলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, মামলার প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।