অবশেষে পুলিশের জালে শীর্ষ সন্ত্রাসী আবু লাল

Shahrier Islam Pallab
আশিকুর রহমান, নরসিংদী
প্রকাশিত: ৪:৩৭ অপরাহ্ন, ০৭ নভেম্বর ২০২৬ | আপডেট: ১১:৩৮ অপরাহ্ন, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সাম্প্রতিক সময়ে নরসিংদীর আলোচিত  হত্যা, অস্ত্র, মাদক ও অপহরণসহ একাধিক মামলার আসামী শীর্ষ সন্ত্রাসী আবু লাল গ্রুপের প্রধান আবু লালকে (৪০) গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

এসময় তার কাছ থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল ও ৮ রাউন্ড পিস্তলের তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আবু লাল শহরের শালিধা এলাকার মৃত শাহাবুদ্দিনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে নরসিংদী'র বিভিন্ন থানায় হত্যা, চাঁদাবাজি, অস্ত্র, মাদক ও অপহরণসহ ৬টি মামলা রয়েছে বলে শনিবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে নরসিংদী মডেল থানা প্রাঙ্গনে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আশিকুর রহমান তথ্যটি নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন: ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়: ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসেইন

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আশিকুর রহমান জানান, গত ২ অক্টোবর শহরের চৌয়ালা এলাকায় দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে শহিদুল্লাহ ওরফে বাবু (২৮) নিহত হওয়ার পর থেকেই উক্ত হত্যাকান্ডের প্রধান আসামি আবু লাল পলাতক ছিলেন। তাঁকে গ্রেফতারে জন্য পুলিশের একাধিক দল ছদ্মবেশে নরসিংদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরবর্তীতে ৬ নভেম্বর (শুক্রবার) তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি দল হবিগঞ্জের মাধবপুর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন। পরে ওইদিন রাত পৌনে ১২টায় তার দেওয়া তথ্য ও দেখানো মতে তার নিজ বসত ঘরের রান্নাঘরের সিলিংয়ের উপর থেকে তার ব্যবহৃত (ম্যাগজিনের ভিতর আট রাউন্ড গুলি ভর্তি) সক্রিয় একটি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ-আল-ফারুক এর দিকনির্দেশনায় এই অভিযান পরিচালিত হয় এবং পুলিশের একাধিক দল অভিযানে অংশ নেন। গ্রেফতারকৃত আসামী বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে। মামলার অন্য আসামিদেরও গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং জেলা পুলিশ সন্ত্রাস, মাদক, অস্ত্র ও গোষ্ঠীগত সহিংসতার বিরুদ্ধে "শূন্য সহনশীলতা" নীতিতে অবিচল এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে বদ্ধপরিকর বলেও তিনি জানান।

আরও পড়ুন: স্ত্রীকে দিয়ে দেহ ব্যবসার অভিযোগ, মিজান বললেন ‘অভাবের তাড়নায় করেছি’