সারা দেশে সন্ত্রাস, মাদক ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৬:২১ অপরাহ্ন, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৭:৩২ অপরাহ্ন, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

সারা দেশে সন্ত্রাস দমন, অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, মাদক চোরাচালান এবং চাঁদাবাজি বন্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শনিবার (২৯ আগস্ট) রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ‘ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা’ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে জলিল টেক্সটাইল মিলসের ৫৪.৯৯ একর জমি সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের চুক্তি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চলছে। পাশাপাশি মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট নিয়ে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। অভিযান চলমান রয়েছে এবং তা আরও জোরদার করতে পুলিশকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য কিছু কৌশলও প্রণয়ন করা হয়েছে, তবে সেগুলো প্রকাশ করা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন: পুলিশ হেডকোয়ার্টার জানালো, রংপুর কমিশনারের বদলি আরও দুই সপ্তাহ আগে হয়েছে

অপরাধ দমনে পুলিশের দায়বদ্ধতার বিষয়টি তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কর্মকর্তাদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো কর্মকর্তা প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, সারা দেশে অবৈধ অস্ত্র, মাদক, চোরাচালান ও চাঁদাবাজি রোধে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সহায়তায় বিশেষ কৌশলগত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম।

এ সময় পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) একেএম আওলাদ হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রেঞ্জের ডিআইজি, মেট্রোপলিটন এলাকার পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এবং জেলার পুলিশ সুপাররা (এসপি) অংশ নেন। সভায় তারা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন।