আজ রাজধানীর তিন পয়েন্টে অবরোধের ঘোষণা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৮:৪২ পূর্বাহ্ন, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারি ও কার্যক্রম শুরুর এক দফা দাবিতে রাজধানীর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন রাজধানীর সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। তাদের ঘোষিত অবরোধস্থল হলো সায়েন্সল্যাব, টেকনিক্যাল মোড় ও তাঁতীবাজার মোড়।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে এই কর্মসূচি পালন করা হবে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন: সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১৫ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন–২০২৫’-এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে দ্রুত অধ্যাদেশ জারির দাবিও জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সাত কলেজের সমন্বয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত আইনের খসড়া গত ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পরে বিভিন্ন পক্ষের মতামত ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে একাধিক আলোচনা শেষে খসড়াটি হালনাগাদ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: চবিতে নীতিমালার তোয়াক্কা না করেই জামায়াতপন্থীদের পদোন্নতি

শিক্ষার্থীরা জানান, গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবন অভিমুখে টানা অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে ডিসেম্বরের মধ্যেই সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে জানুয়ারির শুরুতে অধ্যাদেশ জারির আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও সেই আশ্বাস বাস্তবায়ন না হওয়ায় তারা পুনরায় আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একটি সূত্রের মাধ্যমে জানা গেছে আগামী ১৫ জানুয়ারি উপদেষ্টা পরিষদের একটি সভা অনুষ্ঠিত হতে পারে। ওই সভাতেই আইনটির চূড়ান্ত অনুমোদন ও অধ্যাদেশ জারি নিশ্চিত করার দাবিতে চাপ সৃষ্টি করতেই এই অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার এই যৌক্তিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন কর্মসূচি আরও কঠোর করা হবে।