সালমান শাহ হত্যা: গ্রেপ্তার ডনের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

Any Akter
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: ১:৫২ অপরাহ্ন, ১১ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ১:৫২ অপরাহ্ন, ১১ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পরও রহস্যের জট কাটেনি। দীর্ঘদিনের আলোচিত এ মামলায় এজাহারভুক্ত ৪ নম্বর আসামি চলচ্চিত্র অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করা হলে রাষ্ট্রপক্ষ তার বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর কিছু অভিযোগ তুলে ধরেছে।

রোববার ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন থেকে আশরাফুল হক ডনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) হেফাজতে নেয়। বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে সিআইডি। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আরও পড়ুন: গ্ল্যামারাস লুকে মিম, ছবি ঘিরে ভক্তদের মুগ্ধতা

সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। তার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক রয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্টদের বরাতে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য তুলে ধরেন। তার দাবি, সালমান শাহর স্ত্রী সামিরার সঙ্গে শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের গোপন সম্পর্ক ছিল। ওই সম্পর্কের জেরে সালমান শাহকে হত্যার জন্য আশরাফুল হক ডনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকায় চুক্তি করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন: যে আগুন কবিতা আর গিটারে এক হয়ে জ্বলেছিল

রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, রাজসাক্ষী রিজভী আহমেদের দেওয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে এ তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হয়নি।

রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, সালমান শাহ হত্যার পরিকল্পনার পাশাপাশি মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগের উদ্দেশ্যে তার ভাই বিল্টুকে অপহরণের পরিকল্পনার অভিযোগও রয়েছে আশরাফুল হক ডন ও ডেভিডের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময় ১৯৯৭ সালের ১৯ জুলাই রিজভী আহমেদ গ্রেপ্তার হন। পরে একই বছরের ২৪ জুলাই সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি।

দীর্ঘদিন ধরে চলা এ মামলার তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হবে।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহর মৃত্যুর পর থেকেই ঘটনাটি নিয়ে নানা প্রশ্ন, তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলে আসছে। প্রায় তিন দশক পর মামলার অন্যতম আসামি আশরাফুল হক ডনের গ্রেপ্তার নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।