আন্দামান সাগরে নৌকাডুবি: ২৫০ যাত্রী নিখোঁজ, বাংলাদেশিসহ রোহিঙ্গা রয়েছেন

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৮:২৬ পূর্বাহ্ন, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ | আপডেট: ৮:২৬ পূর্বাহ্ন, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

আন্দামান সাগরে একটি ট্রলার ডুবে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ কমপক্ষে ২৫০ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানা গেছে। নিখোঁজদের মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থী ছাড়াও বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) এক যৌথ বিবৃতিতে এ দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

আরও পড়ুন: নেপাল-তিব্বত সীমান্তে নতুন করে উপচে পড়ল হ্রদ, প্রাণে বাঁচতে ফের ছুটছে মানুষ

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ট্রলারটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের টেকনাফ উপকূল থেকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিল। পথিমধ্যে আন্দামান সাগরে প্রবল বাতাস ও উত্তাল ঢেউয়ের কারণে ট্রলারটি ডুবে যায়। অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাই থাকায় এটি ভারসাম্য হারিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এই ঘটনা দীর্ঘস্থায়ী বাস্তুচ্যুতি সংকট এবং রোহিঙ্গাদের জন্য টেকসই সমাধানের অভাবের একটি ভয়াবহ পরিণতি। রাখাইনে চলমান সহিংসতার কারণে নিরাপদ প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

আরও পড়ুন: নেপালে মানবিক বিপর্যয়: বন্যায় ভেসে গেছে মরদেহ, মর্গেও জায়গা নেই

এছাড়া ক্যাম্পে মানবিক সহায়তা কমে যাওয়া, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের অভাবসহ নানা সংকট মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রপথে যাত্রায় বাধ্য করছে। পাচারকারীদের বিভ্রান্তিকর আশ্বাস ও নিরাপদ জীবনের আশায় অনেকেই এমন বিপজ্জনক পথ বেছে নিচ্ছেন।

ইউএনএইচসিআর ও আইওএম আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখা হয় এবং সংকট সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ সমাধান না হলে এমন দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।