কাশ্মীরে নির্বাচনী উত্তেজনা

৮ পুলিশ সদস্যকে ধরে নিয়ে গেছে নিষিদ্ধ সংগঠন

Sadek Ali
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, ১৪ অগাস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে চলমান নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হাইওয়ে পুলিশের আট সদস্য অপহৃত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছে আজাদ কাশ্মীর পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে আজাদ কাশ্মীর পুলিশের মুখপাত্র খাওয়ার আলী শওকত এ তথ্য জানান।

আরও পড়ুন: ইরানের বিরুদ্ধে ‘নজিরবিহীন’ অর্থনৈতিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

পুলিশের দাবি, নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত নিরাপত্তাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (জেএসি)। এ সময় আটজন হাইওয়ে পুলিশ সদস্যকে অপহরণ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়া হয়। অপহৃত পুলিশ সদস্যদের ওপর নির্যাতন চালানোর পাশাপাশি তাদের পরিবারের সদস্যদের হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

খাওয়ার আলী শওকত বলেন, সহিংসতা কিংবা আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করার কোনো সুযোগ নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা বা তাদের পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেওয়া অব্যাহত থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: দুই সন্তানের জন্য হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়ছেন লেভিট

একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের নিষিদ্ধ সংগঠনটির উসকানি ও কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

পুলিশের এই মুখপাত্রের দাবি, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো থেকে স্পষ্ট যে জেএসি শান্তিপূর্ণ কোনো সংগঠন নয়। বরং সহিংসতার মাধ্যমে তারা রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, পাকিস্তান রাষ্ট্র অতীতেও দুর্বল ছিল না, এখনো নয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাষ্ট্র বরাবরই সংযমের নীতি অনুসরণ করেছে। তবে অধিকার আদায়ের নামে সহিংসতা চালানোর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

খাওয়ার আলী শওকত আরও বলেন, স্থানীয় জনগণ নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেখিয়ে দিয়েছেন যে নিষিদ্ধ সংগঠনটির সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই। তাই সাধারণ মানুষকে জেএসির কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

এদিকে ভারতনিয়ন্ত্রিত কাশ্মীর থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত আসন নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে কয়েক দিন ধরে পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বিক্ষোভ চলছে। এর মধ্যেই নির্বাচনী কার্যক্রমের সময় আট পুলিশ সদস্য অপহরণের অভিযোগ পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলেছে।