২ দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় মোজাফফর গ্রেপ্তার

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:৪১ অপরাহ্ন, ২৩ জুলাই ২০২৬ | আপডেট: ৩:৪৯ অপরাহ্ন, ২৩ জুলাই ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ফেনীতে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে তাকে দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

আরও পড়ুন: ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে জিয়া হত্যার আসামি মোজাফফরকে

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি মোজাফফর হোসেনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন জানান এবং দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চান। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আরও দুই মাস সময়ের আবেদন করা হয়।

শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল মোজাফফর হোসেনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর পাশাপাশি তদন্ত সংস্থার সুবিধাজনক সময়ে দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। একই সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইউপি চেয়ারম্যানের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক চেয়ে হাইকোর্টের রুল

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে মোজাফফর হোসেনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। বর্তমানে তিনি ঢাকার সেনানিবাসের কারাগারে থাকবেন।

এদিন একই মামলার অপর আসামি লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকেও ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

প্রসিকিউশনের দাবি, আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সংঘটিত বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধে মোজাফফর হোসেনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। বিশেষ করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ফেনীতে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ চলাকালে তিনি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন। এ কারণেই তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুলাই জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম এই আসামির বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন। প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।