মাসে দুইদিন সাইকেল চালানোর জন্য রাস্তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে : ডিএনসিসি মেয়র
প্রতি মাসে দুইদিন সাইকেল চালানোর জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় রাস্তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম।
আজ সকাল ৮টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে থেকে গুলশান-২ গোলচতত্ত্বর পর্যন্ত সাইকেল র্যালি পেডাল ফর প্ল্যানেট এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: দায়িত্বে অবহেলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকা সিটির দুই আঞ্চলিক কর্মকর্তা বরখাস্ত
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৪ উদযাপন উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জাগো ফাউন্ডেশন এবং ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ যৌথভাবে এই র্যালি আয়োজন করে। র্যালিটির লক্ষ্য ছিল কার্বন নির্গমন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই কার্যক্রম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
সকাল ৮টায় জাতীয় সংসদ ভবন থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে বিজয় সরণি, মহাখালী ও বনানী হয়ে গুলশান-২ নম্বর গোলচত্ত্বর গিয়ে শেষ হয়। ৩৫০ জন সাইক্লিস্ট এতে অংশ নেয়। অংশগ্রহণকারী সাইক্লিস্টদের উৎসাহ দিতে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম নিজে র্যালিতে অংশ নেন। তিনিও সাইকেল চালিয়ে জাতীয় সংসদ ভবন থেকে গুলশান-২ গোলচত্ত্বর পর্যন্ত যান।
আরও পড়ুন: নিজেই ড্রাইভ করে ঢাকার বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম দেখলেন প্রধানমন্ত্রী
ডিএনসিসির মেয়র বলেন, 'মাদকমুক্ত সুস্থ সমাজ গঠনে শরীর চর্চা, খেলাধুলা আবশ্যক। সাইক্লিং অতি উত্তম শরীর চর্চা। অনেকে খেলাধুলা না করে, ব্যায়াম না করে ঘুমিখেলাধুলা, ব্যায়াম না করার কারণে অনেকে শরীর ব্যথা, মাথা ব্যথাসহ নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তাই সুস্থতার জন্য খেলাধুলা করতে হবে, ব্যায়াম করতে হবে। যুবসমাজকে ঘরে বসে অলস সময় পার না করে মাঠে আসতে হবে।'
তিনি বলেন, 'জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নানাভাবে পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে৷ বিভিন্ন যানবাহনের কারণে কার্বন নিঃসরণ বাড়ছে। কিন্তু সাইকেল এমন একটি পরিবেশবান্ধব যান যেটি কোন কার্বন নিঃসরণ করে না। তাই সাইকেল চালানোকে উৎসাহিত করছি। আমরা সাইকেল লেন করে দিব। যদিও সাইকেল লেন করে দিলেও দেখা যায় দখলদাররা সেখানে দখল করে ফেলে। স্বেচ্ছাসেবক ও যুবসমাজকে নিয়ে এ ধরনের দখলদারদের প্রতিহত করবো।
এসময় তিনি আরও বলেন, 'পার্ক ও মাঠগুলো আমাদের রক্ষা করতে হবে। ফার্মগেটের আনোয়ারা পার্কে শপিং মল করতে দেওয়া হবে না। সেখানে পার্কই থাকবে। মানুষ এই পার্কে হাটবে, শরীর চর্চা করবে।
র্যালিতে অন্যান্যের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক করভি রাখসান্দ।





