তিন বাহিনীর ১৫ বছরের বঞ্চনার আবেদন পর্যালোচনায় কমিটি গঠন

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১১:০১ অপরাহ্ন, ১৭ অগাস্ট ২০২৫ | আপডেট: ১১:০১ অপরাহ্ন, ১৭ অগাস্ট ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়কালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীতে চাকরিতে বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হওয়া অবসরপ্রাপ্ত অফিসারদের অভিযোগ পর্যালোচনার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে।

বৃহস্পতিবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন: হঠাৎ কেন দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ করলো সরকার

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল আব্দুল হাফিজ, যিনি বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টার প্রতিরক্ষা ও জাতীয় সংহতি উন্নয়ন বিষয়ক বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন: মেজর জেনারেল (অব.) মুহম্মদ শামস-উল-হুদা, মেজর জেনারেল (অব.) শেখ পাশা হাবিব উদ্দিন, রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মোহাম্মদ শফিউল আজম, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) মুহাম্মদ শাফকাত আলী, অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নেভাল সেক্রেটারি, নৌবাহিনী সদর দপ্তর, এয়ার সেক্রেটারি, বিমান বাহিনী সদর দপ্তর, মহাপরিচালক (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড লজিস্টিকস), প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় (সদস্য-সচিব)

আরও পড়ুন: কৃষকদের স্বচ্ছল করতেই ‘কৃষক কার্ড’ চালু: প্রধানমন্ত্রী

কমিটি প্রয়োজনে চাকরিরত বা অবসরপ্রাপ্ত অফিসারদের সহযোগী সদস্য হিসেবে কো-অপ্ট করতে পারবে।

কমিটি ভুক্তভোগী অফিসারদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে এবং প্রাপ্ত অভিযোগগুলো সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ পেশ করবে।

প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে কমিটিকে সকল ধরনের সাচিবিক ও লজিস্টিক সহায়তা প্রদান করা হবে। কমিটির অবসরপ্রাপ্ত সদস্যরা প্রতি সভার জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেট থেকে নির্ধারিত হারে সম্মানী পাবেন।

সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কিছু কর্মকর্তার অভিযোগ ছিল, তারা বিভিন্ন সময়ে দলীয় রাজনৈতিক প্রভাব, প্রতিহিংসামূলক সিদ্ধান্ত ও প্রশাসনিক বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। এসব অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ দীর্ঘদিনের অভিযোগ নিষ্পত্তির মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীতে সুবিচার ও আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে।