মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের
মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, বঙ্গোপসাগরে জরিপ চালিয়ে মৎস্য আহরণের সঠিক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে এবং এজন্য গবেষণার পরিমাণ বাড়াতে হবে। সোমবার (১৯ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: শাহজালাল বিমানবন্দর ইউনিট কল্যাণ কমিটির নতুন নেতৃত্ব নির্বাচিত
ড. ইউনূস বলেন, আমাদের সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের বিপুল সম্ভাবনা আছে, কিন্তু আমরা তা এখনও পুরোপুরি আহরণ করতে পারিনি। মাছের সম্ভাবনা যেমন প্রচুর, দুর্ভাবনাও তেমন প্রচুর। চাষের মাছের গুরুত্ব অনেক বেড়েছে এবং তরুণ উদ্যোক্তারা মৎস্য চাষে এগিয়ে আসছেন। আমিষের চাহিদা মেটাতে চাষের মাছের অবদান এখন সবচেয়ে বেশি। তবে ইলিশ জনগণের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সঠিক সময়ে নিষেধাজ্ঞা মানলে মাছের প্রাপ্তি বাড়বে।
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে পুতিনের অভিনন্দন
তিনি আরও বলেন, মাছ আমাদের জন্য প্রকৃতির উপহার। অথচ আমরা প্রকৃতির প্রতি নির্মম। নদী শাসনের কথা বলি, কিন্তু নদী পালনের কথা কেউ বলে না। এতে আরও ক্ষতি হচ্ছে। মৎস্য শিল্পকে একটি পূর্ণাঙ্গ ইন্ডাস্ট্রিতে রূপ দিতে হবে। এজন্য বিশ্বমানের বিশেষজ্ঞদের গবেষণা কাজে লাগাতে হবে এবং বন্ধু দেশগুলোর সঙ্গে সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল রক্ষায় আলোচনা শুরু হয়েছে।
অবৈধ জাল ব্যবহার ও জলাশয় দূষণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সব ধরনের বর্জ্য নদীতে ফেলছি, কীটনাশকের ব্যবহার করছি। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবও মৎস্য উৎপাদনে পড়ছে। টেকসই পদ্ধতি আবিষ্কার করে অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি রপ্তানি বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৯ জনকে স্বর্ণপদক, ৫ জনকে রৌপ্য পদক এবং ২ জনকে ব্রোঞ্জ পদক প্রদান করা হয়।





