৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে বিএনপির ১০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

Sanchoy Biswas
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৪:৫৭ অপরাহ্ন, ০২ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ৪:৫৭ অপরাহ্ন, ০২ নভেম্বর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ পালনে ঢাকাসহ সারাদেশে শোভাযাত্রাসহ ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

রোববার (২ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের যৌথ সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: আজ থেকে মাঠে নামবেন ১০৫১ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট: ইসি মাছউদ

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, “৭ নভেম্বর আমাদের কাছে, গোটা জাতির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। এজন্য আমরা আজ যৌথ সভায় সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে। সেই লক্ষ্যে আমরা ৫ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।”

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ৭ নভেম্বর সকাল ১০টায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ শেরেবাংলা নগরে দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করবেন।

আরও পড়ুন: নির্বাচনী প্রস্তুতি সন্তোষজনক, এখন লক্ষ্য ‘পারফেক্ট ভোট’: প্রধান উপদেষ্টা

সেদিন বিকেল ৩টায় মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে একটি র‍্যালি বের হবে। একইসঙ্গে বিভাগ ও জেলা পর্যায়েও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।

সকালে দলীয় কার্যালয়গুলোতে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। ১২ নভেম্বর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনও নিজেদের সময়সূচি অনুযায়ী পৃথক কর্মসূচি পালন করবে। এর মধ্যে— শ্রমিক দল ৫ নভেম্বর আলোচনা সভা, ছাত্রদল ৭-৮ নভেম্বর আলোকচিত্র প্রদর্শনী, ওলামা দল ৯ নভেম্বর এতিম শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ, তাঁতী দল ১০ নভেম্বর আলোচনা সভা, কৃষক দল ১১ নভেম্বর আলোচনা, জাসাস ১৩ নভেম্বর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে পোস্টার, বিশেষ ক্রোড়পত্র এবং ইলেকট্রনিক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষ ডকুমেন্টারি প্রচারের পরিকল্পনা করেছে বিএনপি।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হওয়ার পর সেনাপ্রধান হন জিয়াউর রহমান। পরবর্তীতে ৩ নভেম্বর খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে সেনা অভ্যুত্থানে তিনি গৃহবন্দি হন।

৭ নভেম্বর কর্নেল তাহের ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর নেতৃত্বে পাল্টা অভ্যুত্থানে মুক্ত হন জিয়া, যা বিএনপি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় দলের যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, আবদুস সালাম আজাদ, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, মুনির হোসেন, বজলুল করিম চৌধুরী আবেদসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।