ফের শীতের দাপট, চার জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ

Any Akter
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ১১:০৮ পূর্বাহ্ন, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

মাঘ মাসের শেষলগ্নে এসে রাজধানীসহ সারা দেশে আবারও শীতের দাপট বেড়েছে। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা প্রায় ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে গেছে, ফলে জনজীবনে বেড়েছে ভোগান্তি।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে পঞ্চগড়, মৌলভীবাজার, রাজশাহী ও পাবনা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টাতেও এই শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঢাকা ও আশপাশের আবহাওয়া: আকাশ আংশিক মেঘলা ও তাপমাত্রা অপরিবর্তিত

হঠাৎ করে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় বিশেষ করে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। নদী অববাহিকা ও গ্রামাঞ্চলে ঘন কুয়াশার কারণে যান চলাচলেও বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।@

আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, শনিবার ও রোববার (৭–৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সারা দেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে এবং আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে। তবে ভোরের দিকে দেশের নদী অববাহিকার বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: আবারও বাড়তে পারে শীত, রাতের তাপমাত্রা কমার আভাস

মৃদু শৈত্যপ্রবাহ কবলিত জেলাগুলোতে রাতের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যাওয়ায় কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। তবে আশার কথা হলো, এই সময় রাত ও দিনের তাপমাত্রা খুব বেশি পরিবর্তন না হয়ে মোটামুটি স্থিতিশীল থাকতে পারে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত অর্থাৎ সোমবার থেকে বুধবার (৯–১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকাগুলোতে কুয়াশার প্রবণতা প্রায় একই রকম থাকতে পারে।

দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মাঘের শেষের এই শীত আরও কয়েক দিন স্থায়ী হলেও পরবর্তী পাঁচ দিনের মধ্যে ধীরে ধীরে রাত ও দিনের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। এতে শীতের তীব্রতা কমে এসে দেশজুড়ে ফাল্গুনের আবহ অনুভূত হতে পারে।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানান, বায়ুমণ্ডলের ওপরের স্তরে শীতল বায়ুর প্রবাহ সক্রিয় থাকায় হঠাৎ করে তাপমাত্রা কমে গেছে। বিশেষ করে হিমালয়ের নিকটবর্তী পঞ্চগড় ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের প্রভাব তুলনামূলক বেশি দেখা যায়।

এদিকে শিশু ও প্রবীণদের এ সময় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কুয়াশার মধ্যে চলাচলের সময় যানবাহনের হেডলাইট ব্যবহার নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। আপাতত বড় ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা না থাকলেও আংশিক মেঘলা আকাশের কারণে রোদের তেজ কিছুটা কম থাকতে পারে।