গণভোট অধ্যাদেশ জারি: আগামী জাতীয় সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ৮:৫১ পূর্বাহ্ন, ২৬ নভেম্বর ২০২৫ | আপডেট: ২:৫১ অপরাহ্ন, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনের পর রাষ্ট্রপতি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছেন। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে অধ্যাদেশটি কার্যকর ঘোষণা করে। এর আগে সকালে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে খসড়াটি অনুমোদন পায়।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, গণভোটে নাগরিকদের সামনে একটি নির্দিষ্ট প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে, যেখানে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে মতামত প্রদান করতে হবে। প্রশ্নটি—

আরও পড়ুন: জাতি গঠনে তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার

‘আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং তাতে বর্ণিত সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবসমূহে সম্মতি দিচ্ছেন?’

জুলাই জাতীয় সনদে প্রস্তাবিত সংস্কারের মধ্যে রয়েছে— নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল, নির্বাচন কমিশনের পুনর্গঠন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামো সংস্কার এবং ভবিষ্যৎ জাতীয় সংসদকে দুই কক্ষবিশিষ্ট করার পরিকল্পনা। নতুন কাঠামোয় দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্যের উচ্চকক্ষ গঠনের কথা বলা হয়েছে। সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে এ উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতার অনুমোদন বাধ্যতামূলক হবে।

আরও পড়ুন: কারা মহাপরিদর্শক হলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ারুল কবীর

এছাড়া সংসদে নারী সদস্য বৃদ্ধি, বিরোধীদলের সংসদীয় ভূমিকা জোরদার, ডেপুটি স্পিকার ও কমিটির সভাপতিত্বে বৈচিত্র্য আনা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমা নির্ধারণ এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা পুনর্বিন্যাসসহ ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সনদে ঐকমত্য হয়েছে।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো সনদে বর্ণিত এসব সংস্কার বাস্তবায়নে বাধ্য থাকবে। রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকার অনুযায়ী অন্যান্য সংস্কারও ধাপে ধাপে কার্যকর করা হবে।

গণভোট প্রক্রিয়ায় উল্লেখ করা হয়েছে— ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য যেসব ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ করা হবে, সেই কেন্দ্রগুলোতেই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। একইসঙ্গে নির্বাচন কমিশন নিয়োগকৃত রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসাররাই গণভোট পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন।