ঢাকার নাগরিক সমস্যা সমাধানে সমন্বিত ভাবে কাজ করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক

Sadek Ali
বাংলাবাজার ডেস্ক
প্রকাশিত: ২:৪০ অপরাহ্ন, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | আপডেট: ৪:১২ অপরাহ্ন, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

ঢাকার নাগরিক সমস্যা নিরসনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক আব্দুস সালাম–এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। বৈঠকে ডেঙ্গু মোকাবিলা, মশক নিধন কর্মসূচি জোরদার, রাস্তাঘাটের রক্ষণাবেক্ষণ ও জলাবদ্ধতাসহ নগর সমস্যাগুলো নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নগরভবনে সাংবাদিকদের কে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: বর্জ্য সংগ্রহে ১০০ টাকার বেশি নিলে ব্যবস্থা: ডিএসসিসি প্রশাসক

ইশরাক হোসেন বলেন, আসন্ন ডেঙ্গু মৌসুমের আগে মশক নিধন কার্যক্রম ব্যাপকভাবে পরিচালনার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নগরের বিভিন্ন স্থানে রাস্তাঘাটের রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে সম্ভাব্য জলাবদ্ধতাসহ অন্যান্য সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার কথা তুলে ধরেন তিনি।

ইশরাক হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও প্রশাসকদের নাগরিক সেবা দ্রুত সচল করার নির্দেশ দিয়েছেন। দীর্ঘ সময় কার্যকর সরকার অনুপস্থিত থাকায় সেবা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছিল।

আরও পড়ুন: প্রবীণ বিএনপি নেত্রী অধ্যক্ষ রাবেয়া আলী সংরক্ষিত আসনে এমপি হচ্ছেন

নাগরিকদের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে ইশরাক হোসেন বলেন, ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সিটি নির্বাচনে তিনি অংশ নিয়েছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার নাগরিক সমস্যা নিয়ে কাজ করছেন। 

সামাজিক মাধ্যমে নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা তাঁর ব্যক্তিগত অভিপ্রায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দল মনোনয়ন দিলে এবং দলীয় সিদ্ধান্ত হলে তবেই তিনি নির্বাচনে অংশ নেবেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি আরও বলেন, সংসদ সদস্যরা মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করলেও এখনই কোনো নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিষয়ে সিদ্ধান্ত সংসদে হবে এবং দলীয় মনোনয়নও দলই নির্ধারণ করবে।

সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী একটি রাজনৈতিক দলের অস্বাভাবিক ভোটপ্রাপ্তির অভিযোগও তোলেন ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, তাঁর আসনে অতীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সর্বোচ্চ তিন হাজার ভোট পেয়েছিল, কিন্তু এবার তাদের প্রাপ্ত ভোট কল্পনার বাইরে। এ বিষয়ে ভোটার তালিকা যাচাইয়ের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটার তালিকায় কোনো অনিয়ম বা ডুপ্লিকেশন রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা উচিত।

সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ভোটার তালিকা সংশোধনসহ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন ইশরাক হোসেন।