রাষ্ট্রপতির সফর প্রটোকলে সংযম: বিমানবন্দরে উপস্থিতি ১৩ থেকে কমে ৭ জনে

Sadek Ali
বাংলাবাজার রিপোর্ট
প্রকাশিত: ৯:২৮ অপরাহ্ন, ০৯ মে ২০২৬ | আপডেট: ৯:২৮ অপরাহ্ন, ০৯ মে ২০২৬
ছবিঃ সংগৃহীত
ছবিঃ সংগৃহীত

রাষ্ট্রপতির বিদেশ সফর ও দেশে প্রত্যাবর্তনকালে অনুসরণীয় রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে পরিবর্তন এনেছে সরকার। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতিকে বিদায় ও অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত থাকবেন মাত্র সাতজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতায় সংযম, প্রশাসনিক দক্ষতা ও প্রটোকল ব্যবস্থায় বাস্তবধর্মী সংস্কারের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে।

গত ৪ মে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাগুলোতে পাঠানো এক নির্দেশনায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির বিদেশযাত্রা এবং স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সময় নির্ধারিত সাতজন প্রতিনিধি বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন।

আরও পড়ুন: ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ পুনর্গঠনই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: মির্জা ফখরুল

নতুন তালিকায় রাখা হয়েছে— মন্ত্রিসভার একজন সদস্য, ডিপ্লোমেটিক কোরের প্রধান, সংশ্লিষ্ট স্বাগতিক দেশের মিশন প্রধান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের জন বিভাগের সচিব ও সামরিক সচিব এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্রাচার প্রধানকে।

এর আগে ২০১৭ সালের ১৬ মে জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সফরকালে বিমানবন্দরে ১৩ জন কর্মকর্তার উপস্থিতি বাধ্যতামূলক ছিল। সর্বশেষ সিদ্ধান্তে সেই সংখ্যা প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শিল্পকারখানা চালু থাকলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, স্থানীয় অর্থনীতি সচল থাকে : বাণিজ্যমন্ত্রী

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাষ্ট্রীয় প্রটোকলকে সময়োপযোগী ও কার্যকর করতে সরকার এ ধরনের পুনর্বিন্যাসে গুরুত্ব দিচ্ছে। এতে অপ্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা কমানোর পাশাপাশি প্রশাসনিক ব্যয় ও জনবল ব্যবস্থাপনাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বব্যাপী রাষ্ট্রীয় প্রটোকলে সরলীকরণ ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির যে প্রবণতা রয়েছে, বাংলাদেশের নতুন এই সিদ্ধান্তও সেই ধারার অংশ। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রয়োজনভিত্তিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বার্তাও এতে স্পষ্ট হয়েছে।